লি কুয়ান ইউ এর দৃষ্টিতে শেখ মুজিব

বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে বিয়াল্লিশ বছর। এখনো তলাবিহীন ঝুড়ি।
পৃথিবীর অনেক এয়ারপোর্টে সবুজ পাসপোর্ট দেখলে ধাক্কিয়ে আলাদা লাইনে দাড় করায়।
অনেক দেশে ‘বাংলা’ শব্দটা একটা গালির মতো।
এদেশের নেতারা চোর, জনগণ সুযোগসন্ধানী হুজুগে আর শিক্ষিতরা ডাবল ষ্ট্যান্ডার্ড।
এহেন বাংলাদেশে শেখ মুজিবকে কিংবদন্তী মনে করা হয়।
‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি ছাড়া শেখ মুজিবের নাম উচ্চারণ করাও পাপ!
তার লুটেরা পরিবার আর লুম্পেন ধর্ষক ব্যাংক ডাকাত ছেলেদের কীর্তির বয়ান করলে আপনি রাষ্ট্রদ্রোহী।
চুয়াত্তরের দুর্ভিক্ষে বাসন্তিরা খাবার না পেয়ে অন্যের বমি খেয়েছে, ভাতের ফেন খেয়েছে।
আর শেখ মুজিব সোনার সিংহাসনে বসেছে,ছেলের বিয়েতে সোনার মুকুট পরিয়েছে।
এদেশে এখনো অল্প কিছু সুবিধাভোগী মানুষ আরামে আছে,আর সাধারণ জনগণকে বেঁচে থাকার জন্য অমানুষিক সংগ্রামকরতে হয়।
যুদ্ধ করতে হয় পশুর মতো।
মাঝে মাঝে মনে হয়,কেন এই দুর্ভাগ্য আমাদের?
আধুনিক সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠাতা লি কুয়ান ইউ এর আত্মজীবনীর একটা অংশ পড়ে পুরনো ধারণাটা আরেকটু শক্তিশালী হলো,আমাদের গোড়াতেই গলদ!
আমরা মুজিবের মতো একটা বাটপারকে আব্বা হিসেবে ঘাড়ে তুলে নিসি!
তার মত ধান্দাবাজ সুযোগসন্ধানী সময়ের বরপুত্র যেই জাতির আব্বা,সেই জাতির কপালে লাথি উষ্ঠা ছাড়া অন্য কিছু থাকারকথা না।
মানুষকে তুই তাই করে বুকে টেনে আপন করার ভান করা আর গরম গরম বক্তৃতা দেয়া, এবং দেশ চালানো এক কথা না।
রাজনৈতিক পরিস্থিতির সুযোগে জনপ্রিয় হওয়া এবং সৎ মানুষ হওয়া এক কথা না।
একটা দেশকে উন্নত করতে একজন দক্ষ ও সৎ শাসকই যথেষ্ট।
যে শাসকের পক্ষে তাঁর দেশে দুর্ভিক্ষের পুর্বমুহুর্তে প্রাইভেট বিমান এবং গাড়িকে গাড়ি ভর্তি মালসামান নিয়ে বিলাসিতা করা সম্ভব না।
মালয়েশিয়ার সৌভাগ্য তারা পেয়েছে মাহাথিরকে,সিঙ্গাপুরের সৌভাগ্য তারা পেয়েছে লি কুয়ান ইউকে।
এরা শুধু রাষ্ট্রনেতাই না,এরা রাষ্ট্রগঠনকারী নেতা।

লি কুয়ান ইউ দুই খন্ডে আত্মজীবনী লিখেছেন। দ্বিতীয় খন্ড “ফ্রম থার্ড ওয়ার্ল্ড টুফার্ষ্ট: দ্য সিঙ্গাপুর ষ্টোরি: ১৯৬৫-২০০০” বইয়ের ৩৬৩-৩৬৪ পৃষ্ঠায় আধুনিক সিঙ্গাপুরের জনক এই ভদ্রলোক শেখ মুজিবকে দেখার স্মৃতির কথা বলেছেন।
অনুবাদ (স্বল্প ভাবানুবাদ সহ) করে দেয়া হলো,এ নিয়ে বাড়তি আর কিছু বলার নেই।

অটোয়া সম্মেলনের* সময় আরেকজন মানুষকে দেখার কথা স্মরণ করতে পারি,প্রাইম মিনিষ্টার শেখ মুজিবুর রহমান। পাকিস্তানবিরোধী নায়ক,পুর্ব পাকিস্তানকে স্বাধীন বাংলাদেশে রুপান্তরের নেতা। তিনি নিজস্ব বিমানে চড়ে বেশ ভাব নিয়ে অটোয়ায় এসে পৌছান।

আমি যখন ওখানে ল্যান্ড করলাম,গায়ে ‘বাংলাদেশ’ খচিত একটি বোয়িং ৭০৭ থামানো দেখলাম। সম্মেলন শেষে যখন অটোয়া ছেড়ে যাচ্ছিলাম,বিমানটি তখনও ওখানে ঠাঁই দাড়িয়েছিলো। আট দিন ধরে এক জায়গাতে দাড়িয়ে থাকা একটা বিমান! কোন উপার্জন ছাড়া অনর্থক ও বেকার পড়ে থাকা।

ফেরার সময় যখন এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে হোটেল ছেড়ে বের হচ্ছিলাম বাংলাদেশী বিমানটার জন্য জিনিসপত্র দিয়ে দুইটা বিশাল ভ্যান বোঝাই করা হচ্ছিলো। অথচ সম্মেলনে মুজিবুর রহমান তার দেশের জন্য সাহায্য অনুদান চেয়ে কথা বলছিলেন। পাবলিক রিলেশন সম্পর্কিত যে কোন ফার্মই তাকে বিশেষ বিমানটি আট দিনের জন্য পার্কিং এপ্রনে ফেলে না রাখার জন্য পরামর্শ দেবে।

আসলে ঐ সময়টা এমন ছিলো,ব্যাক্তিগত বিমানে ভ্রমণ করাটা তৃতীয় বিশ্বের বড় দেশগুলোর নেতাদের জন্য ফ্যাশন হয়ে দাড়িয়েছিলো। কনফারেন্স টেবিলে সব নেতারাই সমমর্যাদার অধিকারী,তবে উন্নত ও শক্তিশালী রাষ্ট্রের নেতারা বিশাল প্রাইভেট জেটে চড়ে এসে দেখিয়ে দিতো যে, তারা একটু বেশি মর্যাদার। ব্রিটিশ নেতারা আসতেন তদের ভিসি ১০ এবং কমেট নিয়ে। কানাডিয়ানদের ছিলো বোয়িং। ম্যালকম ফ্রেজারের সরকার রয়েল অষ্ট্রেলিয়ান এয়ারফোর্সের জন্য একটা বোয়িং ৭০৭ কেনার পর অষ্ট্রেলিয়ানরাও ১৯৭৯ এ এ বিশেষ দলে যোগ দেয়। আবার যেসব আফ্রিকান দেশের অবস্থা ঐসময় কিছুটা ভালো ছিলো, যেমন কেনিয়া ও নাইজেরিয়া, তাদেরও বিশেষ বিমান ছিলো।

আমি মাঝে মাঝে আশ্চর্য হতাম তাদের অবস্থা দেখে। আমি বুঝতাম না কেন তারা তাদের দারিদ্রতার বিষয়টা পৃথিবীকে বুঝানোর চেষ্টা করে না! তাদের উচিত ছিলো কাজের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক সাহায্যের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টা তুলে ধরা। অথচ নিউ ইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘে আমাদের স্থায়ী প্রতিনিধি আমাকে বলেছিলেন,যে দেশ যত বেশি দরিদ্র তারা তাদের নেতাদের জন্য তত বড় ক্যাডিলাক গাড়ি ব্যবহার করে।

সুতরাং আমি সাধারণ ও নিয়মিত বাণিজ্যিক বিমানে করে ভ্রমণের দৃষ্টান্ত প্রতিষ্ঠা করলাম। এভাবে আমি বহু বছরের জন্য সিঙ্গাপুরকে তৃতীয় বিশ্বের দেশ হিসেবে অফিসিয়ালি রাখতে পেরেছি। শেষ পর্যন্ত নব্বই দশকের মাঝামাঝি বিশ্বব্যাংক আমাদের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে সিঙ্গাপুরকে ‘উচ্চমাত্রায় উপার্জনক্ষম উন্নয়নশীল দেশ’ ঘোষণা করে। সাধারণ অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য যেসব ছাড় ও সুবিধা দেয়া হয়, আমরা পরবর্তীতে তা আর পাইনি।

* ২-১০ অগাষ্ট, ১৯৭৩। কমনওয়েলথ রাষ্ট্রপ্রধানদের দ্বিতীয় সম্মেলন (CHOGM: Commonwealth Heads of Government Meeting)কৃতজ্ঞতা স্বীকার: কমরেডস; যারা না বললে এ নোট লেখা হতো না।ImageImage

অভিশপ্ত বাংলাদেশ

বাংলাদেশ একটা অভিশপ্ত দেশ।
কেন অভিশপ্ত হবে না?
যে দেশে নিরপরাধ মানুষকে এভাবে তিলে তিলে মেরে ফেলা হয়।
বেশিরভাগ পত্রিকা সুশীল সমাজ মানবাধিকার সবাই চোখে ঠুলি পরে বসে থাকে।
ওসি আর দারোগা ক্লোজড!
এদের কোন শাস্তি হবে?
বোকার স্বর্গে আছেন।
মানবজমিন প্রথম আরেকটা রিপোর্ট করেছিলো, তাই আপাতত ক্লোজড হতে হয়েছে।
জায়গামতো কয়েক লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে আবার এরা রাজত্ব করতে আসবে।
মাঝখান দিয়ে এ ঘটনা তাদের জন্য মেডালের মতো কাজ করবে।

আর এ অভিশপ্ত দেশের বেশিরভাগ মানুষ প্রচন্ড সহজ সরল।
অনেক জাতির মানুষ এ ধরণের ঘটনার পর ব্যাক্তিগত প্রতিশোধ নেয়ার চিন্তা করতো।
যেহেতু সিষ্টেম পুরোপুরি অকার্যকর।
কিন্তু বাঙালী হলো ভীতু, নির্বিরোধী, নিরীহ ও সত্যিই সরল।
কষ্ট লাগে যখন দেখি নিজের জীবনে এমন সব ঘটনার ভুক্তভোগী হয়ে প্রধানমন্ত্রীর কানে আর্তনাদ পৌছে দিতে চান মানুষগুলো।
কি মর্মান্তিক! কি দু:খজনক!
হায়রে বোন! যে রক্তপিয়াসী ডাইনী তোমার স্বামীর মতো অসংখ্য মানুষের রক্তে স্নান করে উল্লাস করে তার কাছে বিচারের প্রতিকার?
হাহাহাহাহা।
তা ঠিক, কোনভাবে পৌছাতে পারলে শেখ হাসিনা কিছু টাকা ভিক্ষা দেবে আর তোমার বাচ্চাটার দায়িত্ব নেয়ার একটা ঘোষণাও দিয়ে দিবে।
কিন্তু কোন প্রতিকারের আশা করে লাভ নাই।
তার কানে অবশ্যই তোমাদের আর তোমাদের সন্তানের আর্তনাদ নিয়মিত পৌছে।
আর এই আর্তনাদ তার মতো পিশাচিনীর কানে মধুর উৎসব লহরী, আনন্দ ঝংকার।

Image

http://www.mzamin.com/details.php?nid=NTU4NjM%3D&ty=MA%3D%3D&s=Mjc%3D&c=MQ%3D%3D

সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মনোনয়ন নিয়ে জামায়াতের রাজনৈতিক ভুল সিদ্ধান্ত

সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন মনোনয়ন প্রসঙ্গে অনেকে বলছেন, আগে আওয়ামীলীগ কে ঠেকান।
পৃথিবীতে আসলেই কি কিছু ঠেকিয়ে রাখা যায়?
দুইহাজার এক সালের নির্বাচনের কথা মনে আছে?
ভারত ঠেকাও দেশ বাঁচাও। ভারত কি ঠেকেছে?
বাংলাদেশ এখন ভারতের অঙ্গরাজ্য।
ঐ নির্বাচনে শফিক রেহমানের ‘এককোটি তরুণ ভোটারের কাছে আবেদন’ পড়ে কনভিন্সড হয়েছিলাম।
আমরা কয়েক কোটি তরুণ ভোটার জীবনের প্রথম ভোট চার দলীয় জোটকে দিয়েছিলাম।
লাভ কি হয়েছে? কচু।
আইনানুযায়ী প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর গত একদশকে যা শিখেছি তা হলো, কোন কিছু আসলে ঠেকিয়ে রাখা যায় না।
অল্টারনেটিভ দিতে হয়।
আওয়ামী লীগকে ঠেকাতে বিএনপি অল্টারনেটিভ? হাহাহাহাহা।
জোবায়ের ভাই এর মতো নেতা পুরো বিএনপিতে কয়জন আছে? বিরল।
জামায়াতকে আজ থেকে রাজনৈতিক দল হিসেবে সমর্থন দিতে পারছি না।
যে কোন সুস্থ মস্তিস্কের মানুষের উচিত এখন জামায়াতকে দুই অস্তিত্ব দিয়ে বিচার করা।
রাজনৈতিক ও আদর্শগত।
যদি বিএনপিকে শেষ পর্যন্ত ভোট দিতে হয় তাহলে ঘুরিয়ে দিবো কেন?
তাহলে রাজনৈতিক সমর্থন সরাসরি বিএনপির দিকেই যাক।
মাঝখানে দালাল হিসেবে জামায়াতের থাকার দরকার নাই।
সমস্যা হইলো, বালের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার রাজনৈতিক না আদর্শগত বিষয়?
আইনমন্ত্রী শফিক বেলজিয়াম জিয়াউদ্দিন বিচারপতি অন্যান্য বড় বড় মন্ত্রী সবগুলো বাম।
তাদের কাছে এটা আদর্শগত সমস্যা নিসন্দেহে।
কিন্তু পালের গোদা শেখ হাসিনার কাছে এটা নিছক রাজনৈতিক বিষয়।
রাজনৈতিক শত্রুকে দমন করার উপায়।
অন্য যে কোন খাঁটি আওয়ামী লীগারের ক্ষেত্রেও বিষয়টা একই।
সুতরাং যদি এইটা রাজনৈতিক প্রসঙ্গ হয় তাইলে বিএনপির চশমা দিয়া দেখলে তো দেখা যায়, ঝুলায়া দেউক।
ছাগলগুলা একাত্তরে ভুল সিদ্ধান্ত নিসে। ছিয়ানব্বই এ নিসে, দুই হাজার একে নিসে।
দুইহাজার তেরোতে আইসা অলৌকিক ভাবে ভালো সিদ্ধান্ত নিবে এইটা আশা করাই ভুল ছিলো।
সরকারের কুত্তামাইরেও ঠিক হয়নাই।
যদি জোটবদ্ধভাবে করতেই হয় তাহলে ঘোষণা দেয়ার কি দরকার ছিলো?
রাজনীতির খেলা?
জামায়াতরে মানায় না।
এইটা জামায়াতের জন্য হইসে স্রেফ রাজনৈতিক পতিতাবৃত্তি।
আনোয়ার হোসেন মঞ্জু (ঢাকা ডাইজেষ্ট) পনেরো বছর আগে বলছিলো।
ভুল বলেনাই।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং সাভার নিহতদের পুঁজি করে নগদ লাভের শাহবাগি মচ্ছব ও কামড়াকামড়ি

শাহবাগ ছিলো একটা জায়গার নাম, বাংলামোটর থেকে টিএসসির মাঝখানের মোড়। এখন শাহবাগ হয়ে দাড়িয়েছে শয়তানি চেতনার নাম। আওয়ামীলীগের ঘাড়ে ভর করা বাম প্রগতিশীল চেতনা। দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের গণপ্রজননচত্বর।

একসময় দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কোন যুক্তিসংগত প্রশ্ন করাকেই অপরাধ মনে করতো। ত্রিশ লাখ না তিন লাখ এ প্রশ্ন করলে সম্ভব হলে মেরেই ফেলতো। শাহবাগ দেখার পর বাস্তবতা সম্পর্কে দেশের মানুষের কিছুটা উপলদ্ধি হয়েছে। মানুষ বুঝতে পেরেছে মুক্তিযুদ্ধ পুরোটাই পবিত্র ছিলো না, সাদা কালোর মাঝখানে অনেক ধুসর এলাকা ছিলো।

দেশে যখন গরীব কিশোর যুবকরা পাকবাহিনীর হাতে মারা যাচ্ছিলো, তখন আওয়ামী লীগ নেতারা কলকাতার পার্ক ষ্ট্রীটে উদ্বাস্তু বাংলাদেশী যুবতীদের ভোগ করে মদের গ্লাস নিয়ে ফুর্তি করতেন। বিয়াল্লিশ বছর পরে এসে বাংলাদেশ আবার একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখলো। সারা দেশে পুলিশ যখন নিরস্ত্র প্রতিবাদকারীদের পাখির মতো গুলি করে মারলো তখন শাহবাগে ইমরান সরকারের নেতৃত্বে আওয়ামী দালালের দল মদ গাঁজা আর নারীমাংস নিয়ে উৎসবে মাতাল হয়ে চুর হয়ে থাকতো।।

সারাদিন শাহবাগে আমোদ ফুর্তি করার পর ইমরান অমি পিয়াল মারুফ রসুল আরিফ জেবতিক মাহমুদ মুন্সী লাকি সীমা লাবণী গং সরকারী গানম্যান ও সিকিউরিটির চাদরে আবৃত থেকে পাজেরো চড়ে পাঁচতারকা হোটেলে গিয়ে মদ মাংসের উল্লাসে বিভোর হয়ে যেতো। মতিঝিলে যখন রাতের অন্ধকারে হাজার হাজার নিরীহ মানুষকে হত্যা করা হয়, শাহবাগীরা তখন বিদ্রুপ আনন্দে ফেটে পড়ে। সিসিটিভিতে শাহবাগিদের আসল চেহারা দেখে ফেলায় পুলিশকে পর্যন্ত খুন করেছে তারা। কিন্তু লাভ হয়নি। সময়ের সাথে সাথে এখন সারা দেশের মানুষের সামনে শাহবাগিদের আসল চেহারা পরিস্কার হয়ে গিয়েছে।

শাহবাগিরা সবসময় প্রচার করতে চেয়েছে এটা দলনিরপেক্ষ আন্দোলন। প্রথম দিকে এ ধারণা ছড়িয়ে দিতে তারা সফলও হয়েছিলো। অসংখ্য সাধারণ মানুষ পরিবর্তনের আশায় বুক বেঁধে শাহবাগে গিয়েছিলো। কিন্তু অল্পদিনেই তারা বুঝতে পেরেছে, তারা আওয়ামী লীগের হাতে জীবনের সবচেয়ে বড় প্রতারণার শিকার হয়েছে।

শাহবাগি নেতারা সবাই হয় চিহ্নিত ধর্মবিদ্বেষী উগ্র নাস্তিক, অথবা কট্টর আওয়ামী লীগার। এদের সবার সম্মিলিত স্বার্থ একটাই, তা হলো আওয়ামী লীগের কায়েমী ক্ষমতা নিশ্চিত করা। সাধারণ মানুষকে প্রতারিত করে তারা হুজুগের বেলুন ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে তুলে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে মানুষের আবেগকে পুঁজি করে এরা বাংলাদেশ থেকে ইসলাম দূর করে সেকুলারিজম প্রতিষ্ঠা করার ষড়যন্ত্র করেছে। নিজেদের সামলে রাখতে না পেরে এরা ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবী করার মতো স্পর্ধা করেছে, হাজার হাজার সাধারণ মানুষকে না বুঝতে দিয়ে শপথবাক্য পাঠ করিয়েছে।

কিন্তু শাহবাগিদের মিথ্যা চেতনার এ বেলুন ফেটে যেতে বেশিদিন সময় লাগেনি। টাকা পয়সা ও ক্ষমতার ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ বিবাদ করে শাহবাগিরা নিজেরা নিজেদেরকে কামড়িয়েছে। এখনো সে কামড়াকামড়ি অব্যাহত আছে। শাহবাগের বিরাণী ও গাঞ্জা বিপ্লবের আড়ালে অঢেল টাকার যোগান ও কামরিপু পূরণের ফুর্তির আভাস পেয়ে গত কয়বাসে দেশে এসেছে লন্ডন থেকে নিঝুম মজুমদার, সুশান্ত দাসগুপ্ত এমনকি আমেরিকা থেকে বিগ প্লেয়ার সজীব ওয়াজেদ জয় পর্যন্ত। এরা টাকার ভাগ নিয়ে কামড়াকামড়ি করেছে। তারপর অনলাইনে একজন আরেকজনের চেহারার মুখোশ খুলে দিয়েছে।

সবার প্রথম বোমা ফাটায় ডা. আইজুদ্দিন নিকের আড়ালে লুকিয়ে থাকা শরীফ আযাদ। গণজাগরণ মঞ্চের কার্যক্রম চালানোর জন্য ফান্ড সংগ্রহের আড়ালে ইমরান সরকার যেভাবে কোটি কোটি টাকার চাঁদাবাজি ও ডাকাতি করেছে তার দলিল প্রমাণ সে অনলাইনে ফাঁস করে দেয়। ডা. আইজুদ্দিন দেখিয়ে দেয় ইংল্যান্ডে নিঝুম মজুমদার কিভাবে সাভার ট্রাজেডির জন্য সহায়তা সংগ্রহ করার নাম করে টাকা আত্মসাতের খেলায় মেতেছিলো। আমেরিকায় থাকা প্রিতম আহমেদ নামের এক ব্লগারও টাকা মেরে দেয়ার এ খেলায় পুরোদমে নেমে পড়ে।

কট্টর আওয়ামী লীগার ও শেখ হাসিনার ভক্ত আইজুদ্দিন হয়তো দূরে থেকে নগদ নারায়ণের ভাগ পাচ্ছিলো না। সরাসরি ইমরান সরকার, প্রিতম ও নিঝুম প্রমুখ শাহবাগি পালের গোদাদের কাপড়চোপড় খুলে দেয় সে।

Image

আওয়ামী ও বাম ব্লগারদের এ অভ্যাস অনেক পুরনো। এরা নিয়মিত সামহোয়ারইন ব্লগ ব্যাবহার করে বিভিন্ন মানবিক সহায়তা কালেকশানের খেলায় নামে। একশ টাকা উঠলে তা থেকে দশ বিশ টাকা লোক দেখিয়ে ভিকটিমকে দিয়ে বাকী টাকা নিজেদের ভোগে লাগিয়ে আসছে এরা গত চার পাঁচ বছর যাবত। নিয়মিত। মাহমুদ মুন্সী ওরফে স্বপ্নকথক ইব্রাহিম খলীল ওরফে সবাক পাখি এসব করে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত করেছে। এসব করে এদের লোভ সীমাহীন হয়ে যায়। তাই শাহবাগ মঞ্চ ও সাভার ভবন ধ্বস কেন্দ্র করে কোটি টাকা আত্মসাতের খেলায় নেমে পড়ে এরা।

আইজু একটা ছবি দিয়ে দেখিয়ে দেয় শাহবাগিরা পাবলিকের কাছ থেকে টাকা তুলেছে। এরকম টাকা তোলা হয়েছে সারা দেশে। কেউ না দিলে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী হয়ে গিয়েছে। পত্রিকায় এসেছে বড় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে জিম্মি করে কোটি কোটি টাকা আদায় করেছে ইমরান চাদর বাহিনী। টাকা না দিলে তাদেরকে জামায়াতী প্রতিষ্ঠানের তালিকায় যুক্ত করার হুমকি দেয়া হয়েছে। ঐ সময়ের কথা স্মরণ করলেই বুঝবেন তারা কিভাবে রামরাজত্ব করেছিলো। সরকারের চেয়েও শক্তিশালী ছায়া সরকার হয়ে দাড়িয়েছিলো শাহবাগি শুকর বাহিনী।

Image

এসময় ডা. আইজুদ্দিন কিছুদিন আগের গোপন মেইল ও মেসেজ প্রকাশ করে দিয়ে প্রমাণ করে দেয় ইমরান সরকার হলো আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেলের রোপণ করা দলীয় দালাল। নির্দলীয় কোন মানুষ এই চাদরবাবা না। আইজুর দেয়া তথ্যে ফাঁস হয়ে যায়, শাহবাগের গণপ্রজনন চত্বর পুরোটাই সাধারণ মানুষের আবেগকে পুঁজি করে আওয়ামী লীগের সাজানো নাটক।

Image

ডা. আইজুদ্দিন যখন এসব ফাঁস করে দেয় তখন শাহবাগিরা মরিয়া হয়ে আইজুদ্দিন নিকের আড়ালে থাকা দুই মধ্যবয়সী বিকৃত রুচির শয়তান শরিফ আজাদ ও মেসকাতের পরিচয়, ছবি, বউ এর ছবি, ঠিকানা ফোন নাম্বার ইত্যাদিও ফাঁস করে দেয়। যথার্থ শুকরছানার মতো তারা তাদের জন্মদাতা এটিমের গুরু আইজুর পাছায় কামড় বসিয়ে দেয়।

Image

আমেরিকায় আইজু ওরফে শরিফ সাহেবের লুচ্চামি ও পুলিশের কাছে ধরা খাওয়ার প্রমাণও হাজির হয়ে যায়।

Image

এর ভেতরে সুশান্ত ও নিঝুমের কাঁদা ছোড়াছুড়ি এখনো চলছে। ডা. আইজুর পোষ্টগুলো সব ব্লগ থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। বেশিরভাগ শাহবাগি নিজেদের ফেসবুক কেলেংকারি বয়ান মুছে দিয়েছে, নিজেদের আইডি ডিএকটিভেট করে রেখেছে। কিন্তু এসব করে চোর শাহবাগিরা নিজেদের চরিত্র বদলাতে পারেনি, লুকাতেও পারেনি। মুক্তিযুদ্ধের নাম দিয়ে এই তস্কর ও চোর-বাটপারের চক্র যে ব্যাবসা ফেঁদে বসেছে পুরো দেশের সামনে তা আজ নাঙ্গা হয়ে গিয়েছে।

Image

শাহবাগি কমরেডদের পারস্পরিক সম্পর্ক বুঝা যায় লুচ্চা অমি পিয়াল সম্পর্কে লন্ডনী চাঁই নিঝুম মজুমদারের কিছু মন্তব্যে।

Image

টাকা পয়সার ভাগাভাগি নিয়ে এদের কামড়াকামড়ি এখন চলমান। নিজেদের গ্রুপিং এর ফলে গোপন তথ্য বের করে দিচেছ এরা। দেখা যাচ্ছে লীগের ক্ষমতা ব্যবহার করে ঢাবির ভেন্যু ব্যাবহার করে পঞ্চাশ হাজার টাকা ভাড়া টা পর্যন্ত এরা দেয়নি। কত বড় ছ্যাচ্ছর এই শাহবাগি শুকরের দল, কত বড় ছোটলোক, ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঢাবি ব্যাবহার করেছে, এখন ন্যুনতম পাওনা টাকাটাও দেয়ার কোন খবর নাই। এই হলো শাহবাগিদের আসল চেহারা। সত্যিকার বাটপারি মানসিকতা। জয় দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ।

Image

সূত্র:
১. আমারব্লগে ডা. আইজুর পোষ্ট। আওয়মী মালিক সুশান্ত সব মুছে দিয়েছে।
২. প্রজন্মব্লগে ডার্কজাষ্টিসের পোষ্ট। আওয়ামী মালিক ইমরান সরকার মুছে দিয়েছে।
৩. সামহোয়ারে মৌসুম দাশের পোষ্ট। আওয়ামী মালিক জানা মুছে দিয়েছে।
৪. আমারব্লগে মনির নিকের পোষ্ট।
৫. ফেসবুকে এদের নিজেদের কামড়াকামড়ির ষ্ট্যাটাস ও মন্তব্যসমুহ। এরা পরে নিজেরাই বিভিন্ন সময় মুছে দিয়েছে।তবু অনলাইনে চাইলেই সব মুছে ফেলা যায় না। আগ্রহীরা চাইলে নিচের লিংকগুলোতে ও গুগলক্যাশে এদের কামড়াকামড়ি দেখতে পারেন।

 

 

কমিউনিটি ব্লগ, বাঙালীর চরিত্র ও যথার্থ শাসন ব্যবস্থা

মাঝখানে একটা সময় কমিউনিটি ব্লগ ছিলো বাংলাভাষীদের ভার্চুয়াল মিথস্ক্রিয়ার প্রধান উপায়।
পিলখানা হত্যা বসুন্ধরা আগুন ভুমিকম্পে পাহাড় ধ্বস এমন সব বড় বড় ঘটনার সময় সামহোয়ার পাবলিকের ভীড়ে গিজগিজ করতো।
সার্ভারে ভীড়ের কোনাকাঞ্চি দিয়ে ঢুকার জন্য যুদ্ধ করতে হতো।
কমিউনিটি ব্লগের এহেন রমরমা অবস্থা দেখে ধুমধাম অনেকগুলো নতুন ব্লগ খুলে গেলো।
সুশান্তের মতো চোরচাট্টা টাইপের পাবলিকও মহারথী বনে গেলো।
আর এখন?সেই সামু এবং অন্যান্য ব্লগগুলোতে মতিঝিল গণহত্যার মতো বিশাল ঘটনা আর উৎকণ্ঠাময় রাতেও নিয়মিত ঘুরঘুর পার্টি আর লুল/রেসিপি অবসর ধান্দা ছাড়া সাধারণত আর কেউ যায় না।
গণমাধ্যম হিসেবে সম্ভাবনাময় কমিউনিটি ব্লগ পরিণত হয়েছে চ্যাটরুমে।
এখন কিছু নেড়ি কুকুর ঘেউ ঘেউ করে ঘুরে এককালের জমজমাট ব্লগে।
এদিক সেদিক তাদের চিৎকারগুলোকে প্রতিধ্বনিত করার চেষ্টা করে।
আর ভার্চুয়াল মিথস্ক্রিয়া এখন সরে এসেছে ফেসবুকে।
এর একমাত্র কারণ হলো ফালতু মডারেশন।
ছোট একটা স্কেলে আবার প্রমাণিত হলো বাঙ্গালীর পক্ষে ভালো কিছু করা সম্ভব না।
জানার পকেটে পুরে রাখা ব্লগে কথা বলার চেয়ে জুকারবার্গের ফেসবুকে কথা বলার স্বাধীনতা অনেক বেশি।

বহুত চেষ্টা হইসে।
চল্লিশ বছরের বেশি হইসে।
আর দরকার নাই।
এই দেশটাকে চালানোর দায়িত্ব নির্বাচন/রাজনৈতিক দল/সুশীল সমাজ এইসব ধান্দাবাজি বাদ দিয়া বিদেশীদের হাতে ছেড়ে দেয়া হোক।
পুরা দুনিয়া আগায়া গেসে, কিন্তু আমরা এখনো কলোনিয়াল শাসন থেকে মুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করিনাই।
জার্মানি দক্ষিণ আফ্রিকা ভিয়েতনমা কেম্বোডিয়া সালভেদর চিলি পেরু রোয়ান্ডা এইসব দেশগুলা আমাদের চাইতে অনেক বেশি কঠিন বিভেদ ও হানাহানি সাফার করসে।
কিন্তু এখন তারা তাদের দেশের ঘাড় ধইরা আদিম যুগে ফিরানোর জন্য জানপ্রাণ দেয়না।
দেয় শুধু বাঙ্গালীরা।
সুতরাং, এই দেশটারে আবার কলোনী বানাউক যে কেউ।
সাদা চামড়াওয়ালারা রাজি না হইলে দরকার হইলে কালা চামড়াদের দেয়া হউক।
রেসিষ্ট বাংলাদেশীদের জন্য যে কোনটাই মন্দের ভালো।

১৯.০৫.২০১৩/ আগামী একমাসের জন্য বাংলাদেশে সব সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ঢাবির শিক্ষক গোলামের মতে বাংলাদেশে আল জাযিরাকে নিষিদ্ধ করা উচিত।

বাংলাদেশী রাজনীতির সাম্প্রদায়িকতাকরণ ও হিন্দুদের মানসিকতা

সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে অনেকে বড় বড় বুলি কপচায়।
বাংলাদেশে যে যত বড় রেসিষ্ট সাম্প্রদায়িক, সে নিজেকে তত বেশি প্রগতিশীল দাবী করে।
আওয়ামী লীগ পুলিশ প্রশাসন, বিচার ব্যাবস্থা আর জনপ্রশাসনকে গণহারে হিন্দুকরণ করেছে।
হিন্দুদের প্রতি কোন বিদ্বেষ নাই, কিন্তু যখন কেউ তার ধর্মের সুযোগে ফায়দা উঠাবে তা মেনে নেয়া যায় না।
ইন্টারনেটে গত কয়বছর ধরে ইসলামের বিরুদ্ধে যে ঘৃণ্য কার্যকলাপ হয়ে আসছে, তার পেছনে আছে কয়েকটা মাষ্টারমাইন্ড হিন্দু।
পশ্চিমবঙ্গ আর ইউরোপ থেকে এরা বাংলাদেশে ঘৃণা ছড়াচ্ছে।
মুসলিমরা এখন এর শিকার হচ্ছে।
চট্টগ্রামের জামালখানে গিয়েছিলাম শাহবাগি মঞ্চ দেখতে।
দলে দলে দিদি আর বউদিদের দেখে এক বন্ধুকে বলেছিলাম, ডাল মে কুছ কালা হ্যায়।
শাহবাগি পেজগুলো কয়েকদিন ফলো করেন, দেখবেন দত্ত রায় কুমার দাস চক্রবর্তীদের ছড়াছড়ি।
তাদের মৌসুম লেগে গেসে।
একাত্তর সাল থেকে এই সাম্প্রদায়িক হিন্দুগুলো অপেক্ষা করছিলো।
এদের দৌরাত্বে ভালো হিন্দুরা আজ সংখ্যালঘু, জায়নবাদী ইসরায়েলের দৌরাত্বে ঠিক যেভাবে ভালো ইহুদীরা সংখ্যালঘু।
এই হিন্দুদের আসল মানসিকতা হালকা কিছুটা দেখা যায় হিন্দু মেয়ের মুসলিম ছেলে বিয়ে করার ছবির মন্তব্যগুলোতে।
কুৎসিত যৌনতাবাদী হিন্দু, এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়েও ঐ মেয়েটিকে প্রশ্ন করে, কাটা পেনিসের মজা কি বেশি?
গুড জব সাম্প্রদায়িক হিন্দু ভাইলোগ! বাংলাদেশ তো এখন তোমাদের রামরাজত্ব।
দাশগুপ্তরা মহানন্দে দিয়ে যাচ্ছে, কারণ পেঁয়াজখেকো যবনের দলের চেয়ে বড় মুনাফিক সেবাদাস পৃথিবীতে আর কোথাও পাওয়া যাবে না।

May 6 Massacre in Dhaka Bangladesh: Operation Searchlight 2

Monday. 06 May 2013. Dhaka Metropolitan Police Joint Commissioner Sheikh Maruf Hasan announced on a hand-mic “Hefajot (Hefajot-e-Islami) members, please leave. You will not be harassed. We will not fire if you leave voluntarily. Otherwise we will have to begin our operation.”
The Hefajot leadership responded from the stage “We are demonstrating here peacefully. This is a sit-in program and we will not leave. We are here to defend the honour of Allah and His Prophet (s).”
The exchange of warning started to make the situation tense. Police increased their presence. They were joined by the elite Rapid Action Battalion (RAB) and the paramilitary Border Guard Bangladesh (BGB). Soon, the joint law enforcement team stood at a 10,000 men strong-team, including 32 platoon BGB-men; and they were joined by Awami League, the ruling party, thugs and goons from its so-called student wings Chatro League and Jubo League. The protesters were encircled from most corners. Electricity and water supply to the protest site and the surrounding area were cut off since the morning. Now, the street lamps were shut off. Even the moonless sky was pitch dark, thanks to the thick monsoon clouds. The whole environment was extremely tense, and the red/blue lights from the tank-like police Armored Personnel Carriers (APC) only made it further terrifying. The nearby motijheel thana was mounted with powerful automatic machineguns, and the APCs were fully prepared for an all out battle. So-called “Operation Freedom” (some unofficial sources claimed it as Operation Shapla) was about to begin.
The Hefajot members, most of them teachers and students of Islamic Madrasahs, were struggling to keep up their moral against the huge ‘war-ready’ police, RAB, BGB battalion. They started reciting zikr (prayers) and shouting anti-‘fundamentalist secular’ slogans to motivate each other. Alongside, in an attempt to convince the gathered force, they announced: “Police brothers, you and we, all are Muslim brothers. We were neither culprits, nor are we involved in any vandalism. We are just doing a peaceful sit-in, which is our constitutional right.”
That tense situation didn’t last long, according the living witnesses, it was only a period of 10 to 15 minutes approximately.  As the clocked ticked 02:31 AM, a senior police officer shouted: FIRE. Immediately, the sound of bullets, machine gun fire, grenades and tear shell filled the air. The helpless and stunned Hefajot members tried at first to resist by throwing pebbles, but soon realized the futility of their action. But they could hardly escape as well, as they were entrapped from three sides. Police, RAB and BGB also intensified their attack under the command of the joint commissioner of RAB intelligence wing, Lt. Col. Ziaul Ahsan, RAB-4 director Lt. Col. Kamrul Hasan and Additional District Commissioner (ADC) of Detective Brach (DB) Moshiur Rahman. ADC of Motijheel zone, Mehedi Hasan, coordinated the attack from the Motijheel thana end.
The coordinated and unimaginably aggressive attack on the helpless Hafejot members took them all by surprise. Their pebbles and sticks were no match to the advanced and lethal police ammunition. All they could do was cry and try to run for cover from the David vs Goliath war zone. Within half an hour, the few million Hefajot men encamped at the Shapla roundabout were totally dispersed, and the law enforcement agencies overtook total control of the entire area. Many bodies were lying around, either dead or injured.
The exact casualty figure from this brutal crackdown is yet unknown. A strongly pro-government local daily reported a figure of five deaths, while a statement on the incident by the Asian Human Rights Commission (AHR..) stated a figure of 2500 deaths citing unconfirmed reports. Similar figures have also been reported by the Hefajot leadership, and Bangladesh Nationalist Party (BNP), the main opposition party. Two private TV channels were reporting from the Hefajot ground. But they were forcibly shut down at 4.24 AM citing orders from higher authorities as they started reporting the casualty figures and showing dead bodies. The official silence from the government of Bangladesh on this incident, and the immediate embargo on honest media reporting points to the fact that the government of Bangladesh is trying to hide what really happened during the brutal operation Freedom.This is not Operation Freedom, rather this is Operation Searchlight 2, a sequel of the Operation Searchlight 1 on the night of 25 March 1971, by Pakistani Army in the same city Dhaka/ Dacca, the provincial capital of then East Pakistan.

_______________Thanks to the brother who wrote this, Jazahullah