যুবলীগের আত্বঘাতি খুনের প্রতিক্রিয়া

যুবলীগ নেতা শাহবাগি রিয়াজ মিলকী খুন হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ।
এতোক্ষণে তার হিসাব নিকাশের খবর হওয়ার কথা।
পরম করুণাময় আল্লাহ তায়ালর কাছে প্রার্থনা করছি তাকে বুঙ্গা বুঙ্গা দেয়ার জন্য।
৫মে দিবাগত রাতে তিনি অস্ত্র হাতে পুলিশ-বিডিআর এর সহযোগী লীগার গুন্ডা বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
মাদ্রাসার নিরস্ত্র ও নিরীহ নিহত ছাত্র-শিক্ষকদের সাথেও তার দেনাপাওনার বিষয়টা আল্লাহ তায়ালা কঠিন ভাবে দেখবেন, এইটাও দোয়া।
পরকালীন বিষয় রেখে একটু দুনিয়াবী বিষয়ের দিকে তাকাই।
গুলশানে শপার্স ওয়ার্ল্ডের সামনে তাকে খুন করে আরেক যুবলীগ কৃতি মুজিবসন্তান তারেক।

দুইটা সমস্যা হয়েছে।
প্রথমত, সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ে গেসে।
দ্বিতীয়ত, উত্তেজনার চোটে বেশি গুলি করতে গিয়ে নিজেও খাইসে। এরপর লুকায়া ক্লিনিকে ভর্তি হইসিলো, পুলিশ ধরে ফেলছে।

দুইটা বিষয় শিক্ষণীয়।
প্রথমত, তারেক পায়জামা পাঞ্জাবী পরে খুন করতে গিয়েছিলো। মাথার উপর টুপিও লাগাইসিলো কুত্তে কা এই আওলাদটি।
প্রত্যক্ষদর্শী সবাই বলতো হুজুরে মারসে।
পুরা দেশ নাচানাচি শুরু করতো জঙ্গিরা আবার কাম করসে। শিবির/হেফাজত দোষী।
ফেসবুকে বন্যা, পত্রিকায় কান্না আর টকশোতে হুল্লোড় পড়ে যেতো।
এইটা থেকে কেউ যদি এন্টি-পার্টির কিলার কেউ থাকেন শিক্ষা নেন।
কাজে যাওয়ার সময় কাজের পোষাক পড়ে যাবেন। এইটা ওয়ার্ক এথিক্স।
যুবলীগের কুত্তেটা ওয়ার্ক এথিক্স মেনেছে, কিন্তু দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজটা করেনাই।
দ্বিতীয়ত, উত্তেজিত হইলে সব বরবাদ।
ক্লিন এন্ড প্রিসাইজ অপারেশন করতে হবে।
ব্যাকআপ দরকার, ঘটনার সময় আতংক ছড়ানোর জন্য ভয়াবহ আওয়াজ দরকার। রেকি করা দরকার, সিসিটিভি আছে কিনা তখনই দেখা যাবে। ঘটনার পরে যাওয়ার পর রিজভীকে পিষে যাওয়ার জন্য ওখানে একটা ট্রাক যাওয়ার দরকার।
কুইক, মেসি এবং কনফার্মড।
শাহবাগি আর পুলিশরা মিলে যে গণহত্যা চালাইসে তা প্রতিশোধ ছাড়া ছেড়ে দিতে রাজি নাই।

Advertisements