হিজাব নিয়ে মিতা হকের চুলকানির বৃত্তান্ত

মিতা হক রোকেয়া প্রাচীদের বিষয়টা বুঝতে হলে আমাদেরকে একটু ইতিহাসের কাছে ফিরে যেতে হবে। এখানে কিছু ইন্টেলেকচুয়াল আলাপ হওয়ার কথা, কিছু রসের কথাও হতে যাবে।

কিন্তু অনুতাপের বিষয় হলো ঈদ এখনো জারি রয়েছে। পেয়ারা নবী সা. আমাদেরকে তিনদিন ঈদ উদযাপন করতে আদেশ করেছেন। সেই উদযাপন করতে গিয়ে একটু আগে এমুন খানা খাইসি, মিতা হক তো দূরের কথা, মিতা হকের সদ্য মাসিকপ্রাপ্তা তেরো বছর বয়সী কন্যা এসে দাড়ালেও আমার পক্ষে আজকে রাতে কিছু করা সম্ভব না।। ভুড়ি আকাশের দিকে তাক করিয়া শুয়া আছি, আর কোনমতে একপাশে একটু কাত হয়ে সংক্ষেপে ষ্টাটাস দিতাসি।

যাইহোক, ঘোমটা ইসলাম বাঙ্গালী দাড়ি সংস্কৃতি রবীন্দ্র এইসব গুপ্ত আলাপ একটু সাইডে রাখি। সাদাচোখে দেখলে দেখি আল্লাহ মানুষরে দুনিয়াতে বানাইসেন নারী আর পুরুষ হিসেবে। সেই প্রথম মুহুর্ত থেকে একশন চলতেসে, কিয়ামতের চুংগায় ফুক পড়া পর্যন্ত চলবে। [বাঁশি কোন ফেরেশতা বাজাইবেন এ মুহুর্তে মনে পড়তেসে না, আযাযীল না ইসরাফিল? :(] 

এখন যুগে যুগে কালে কালে একশনের বিভিন্ন রীতি নীতি প্রথা কুপ্রথা ছিলো। আদম আ. এর সন্তানদের মধ্যেই বিয়া হইতো। দৌপ্রদী একা বিয়া করসিলো পাঁচ না ছয়জন ভাইরে। অনেক রাজা বাদশা একাই হারেমে রাখে শত শত নারীকে। কখনো বিয়া হয় কখনো হয়না। কেউ শনিবার রাতে অক্সফোর্ড ষ্ট্রীটের পাবলিক টয়লেটে কুইকি মারে, কেউ অমাবস্যার রাতে চাটমোহর উপজেলার বদনাপড়া গ্রামের গমক্ষেতে দুবাইওয়ালার বউ এর সাথে এপয়ন্টমেন্ট করে। কেউ আবার আল্লাহর ভয়ে বিয়া করার ছাড়া চোখও তুলে না, কোনমতে গিট্টা দিয়া ‘টিক’ মাইরা বইসা থাকে।

মোটকথা হইলো, যুগে যুগে বিভিন্ন নিয়মনীতির ভেতরে ও বাইরে একশন চলতেসে। তয় একটা পেশাকে বলা হয় আদিম পেশা। যদিও আমার মনে হয় মূল আদিম পেশা হইলো শিকার করা, আগে পেট ঠান্ডা করতে হয়। শিকারের পর দ্বিতীয় আদিম পেশার বণিতাদেরকে আমরা এখন ঘৃণার চোখে দেখি। অথচ প্রাচীন বাংলার ইতিহাস পড়লে জানা যায়, তারা ছিলো নগরের সম্মানিতা মহিলা। বলা হতো নগরশোভিনী। মগধরাজ্য রাজা বিম্বিসার বৈশালীর আমলে শহরে শহরে প্রতিযোগিতা হইতো। যেই শহরের পতিতা যত বেশি নামকরা, সেই শহরের স্থান ততো বেশি উপরে। আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম 

সেই যুগ বাদ দিলে, এই কিছুদিন আগেও এক দেড়শ বছর আগের কলকাতায়ও বাঈজীরা সমাজে চুটিয়ে রাজত্ব করতেন। বাবুরা ঐসব মাগিদের সাথে নিজেদের নাম স্বগর্বে জুড়ে দিতেন।

কিন্তু কাল পরিক্রমায় সেই ঐতিহ্য আজ হুমকির মুখে। যারা সরাসরি পেশায় নিয়োজিত তারা সামাজিকভাবে ঘৃণার শিকার। তাই টিভি সিনেমা অভিনেত্রী নৃত্যশিল্পী মডেল কোরিওগ্রাফার গায়িকা ক্ষুদে গানরাজ এইসব পরিচয়ের সাইনবোর্ডের আড়ালে ব্যাবসা করতে হচ্ছে। এইকারণে মিতা হক ঘোমটার উপর রাগ করসে। আসলে সমাজের এই শৃংখলের উপর রাগ করসে। আপনারা মিতা হকদেরকে ভুল বুঝবেন না। তারা হলেন সমাজ সংগ্রামী, একশন বিপ্লবী। মিতা হক রোকেয়া প্রাচী নবনীতি সামিয়া এরা প্রকৃতপক্ষে নারীমুক্তি এবং মাগিগিরির ঐতিহ্যে ফিরে যাওয়ার অগ্রপথিক সংগ্রামী নারী।

আর কিছু লিখতে পারতেসি না। একটা কুক খায়া ঢেকুর তুলি, মিতা হকের জয় হোক।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s