জাফর ইকবালের মিথ্যা বলার অধিকার

আজ সারাদিন যতবার ইন্টারনেটে বসেছি বারবার ঘুরে ফিরে চোখের সামনে এসেছে জাফর ইকবালের লেখা “মিথ্যা বলার অধিকার”। বিপক্ষের বিভিন্ন বিশ্লেষণ, কখনো উপহাস দেখেছি। উনার কাল্টের সদস্যদের বিভিন্নরকম ত্যানা পেঁচানো ফ্যালাসিও দেখেছি। জাফর ইকবাল গ্রহণযোগ্য না অগ্রহণযোগ্য, সে বিতর্কে যাওয়ার আগে বরং অবিসংবাদিত সত্য হলো জাফর ইকবাল বর্তমান বাংলাদেশের হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা। বাঁশি বাজাতে বাজাতে ইঁদুরের পালকে এই ভদ্রলোক নিয়তির দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। হাজারো ইঁদুরের একজন ইঁদুর হয়ে আমিও আমার কথাগুলো লিখে রাখছি।

আমি একসময় জাফর ইকবালকে বলতাম নবী। Continue reading

Advertisements

আযাদ সাইমুমঃ ভাই একটু ক্ষান্ত দেন, একটু মাফ করেন প্লিজ

ভাই বিশ্বাস করেন আমি আপনারে ফলো করে, গোয়েন্দাগিরি করে এই ছবি দেখিনাই। এক ছোটভাই দিলো। তারপর গুগল ইমেজ সার্চ করে আর কিছু দেখার বাকি নাই।

ভাই, আপনে মিশরে আছেন। এই মুহুর্তে আপনার একটা বড় দায়িত্ব ছিলো। বিশাল একটা কাজ করার সুযোগ ছিলো। তার বদলে আপনি বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনের সিপাহসালার হয়া গেসেন। লোকজন কমেন্ট করে, আযাদ ভাই আপনে না থাকলে কি যে হতো আম্রা কিছুই জানতাম না অন্ধকার যুগের প্রাচীন গুহায় পড়ে থাকতাম। আপনিও খুশী। ছাগুরাও খুশী। Continue reading

জাফর ইকবাল হেফাজত এবং আদিলুর প্রসঙ্গে

সেক্যুলার জাফর ইকবাল তার শিক্ষিত সুশীল ও ভদ্র চেহারার আড়ালে লুকিয়ে থাকা দাঁতালো পশু স্বত্ত্বাটা আর চেপে রাখতে পারলেন না। আজকে তিনি অধিকার সম্পাদক আদিলুর রহমান খান প্রসঙ্গে কলাম লিখলেন। কিন্তু আদিলুর কি তার আসল টার্গেট? জাফর ইকবালের শত্রু মূলত পাঁচ তারিখ রাতে ঢাকা কাঁপিয়ে দেয়া দাড়ি টুপি ওয়ালা মানুষগুলো। আদিলুর যদি আজকে মতিঝিল হত্যা নিয়ে তদন্ত না করে বরং আওয়ামী লীগের দালাল হতেন, বুকে হাত দিয়ে বলুন তো জাফর কি তাহলে আজ তার চরিত্রহনন করে কলাম লিখতেন?

দাড়ি টুপি ঘোমটা বোরকা দেখলে যে সেক্যুলার শাহবাগিদের পিত্তি জ্বলে যায়, ব্যাথা চেপে রাখা অসহ্য হয়ে পড়ে সেই জানোয়ারদের পান্ডা হলো জাফর ইকবাল। কলম আর বুদ্ধির সাইনবোর্ডের আড়ালে লুকিয়ে থাকা এই পশু জাফর ইকবাল হাজারটা যুবলীগের দুবৃত্ত থেকেও বেশি বড় পশু। Continue reading