শাহবাগি স্কিযোফ্রেনিয়া প্রসঙ্গে

শাহবাগির দল বাংলা পরীক্ষা শেষ করে এখন ইংরেজি পরীক্ষা শুরু করসে। কাদের মোল্লার ফাঁসি হইসে, এখন শুরু হইসে পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন ও পাকি পণ্য বর্জন। শাহবাগিদের এই ক্রমাগত উম্মাদনার এখন ট্রিটমেন্ট দরকার। আর ট্রিটমেন্ট শুরু করার প্রথম ধাপ হইলো রোগ চিহ্নিত করা। জনস্বার্থে আমি আগায়া আসলাম যৎসামান্য অবদান রাখতে  আপনারা জানেন এইটা আমার পুরানা অভ্যাস।

স্কিযোফ্রেনিয়া। উইকি অনুযায়ী এইটা একটা মেন্টাল ডিজঅর্ডার। থট প্রসেস এ ব্রেকডাউন ঘটে, যার ফলে এলোমেলো ইমশনাল রেসপন্স শুরু হয়। যেমন কেউ পাছায় লাথি দিলে মোম্বাত্তি জ্বালায়া বসে থাকে। অথবা কান মলা দিলে বেলুন উড়ানো শুরু করে। 

এর কমন সিম্পটম হইলো প্যারানয়েড কিছু বিশ্বাস ও ধারণা, যেমন ‘আম্রিকার প্রেসিডেন্ট’ জন কেরি জামাতের টাকা খায়া লবিং শুরু করসে। অথবা একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধারা ছিলো নিষ্পাপ ফেরেশতা। পাক বাহিনী আইসা রাজাকারদের নিয়া শুধুই আগুন লাগাইসে আর ধর্ষণ করসে, মুক্তিযুদ্ধারা ষ্টেনগান নিয়া দৌড়াদৌড়ি করসে। তারপর আম্রা স্বাধীন হয়া গেসি। পুরাই সিনেমা।

আরেকটা সিম্পটম হলো হ্যালূসিনেশন। যেমন সাধারণ জনগণের মনে শাহবাগের জন্য দরদ উপচায়া পড়তেসে। রিকশাঅলারা বিনা পয়সায় শাহবাগি যাত্রী টানতেসে। হাহাহাহা রিকশাঅলা ভাইদের সাথে একবার বসে চা খাইলে দেখতো কেমনে ওরা শাহবাগি তেতুলদের ধুয়া ফালায়।

স্কিযোফ্রেনিয়া হইলে আরেকটা জিনিস হয়, ডিজঅর্গানাইজড থিংকিং। ফলে নিজেদের জাতভাই পুলিশকেই রাজাকারের বাচ্চা ডাকা আরম্ভ হয়। কিছু নেগেটিভ সিম্পটম আছে, যেমন ব্লান্টেড ইফেক্ট। এর ফলে যথার্থভাবে ইমোশন প্রকাশ করতে পারেনা, শুয়ে শুয়ে স্লোগান দেয়া শুরু করে। এভলিশন ঘটে। নরমাল জীবনযাত্রা বাদ দিয়া শাহবাগে গিয়া হুইতা থাকে লাফাঙ্গার দল।

“স্কিযোফ্রেনিয়ার কারণে সিগনিফিকেন্ট সামাজিক ও পেশাগত ডিজফাংশন হয়”। যেমন শাহবাগিদের ঘটতেসে। অবশ্য সরকারী বিরিয়ানি থাকাতে এ দিকটার ইফেক্ট সামাল দেয়া গেসে।

টিপিকালি এই সিম্পটমগুলা শুরু হয় ইয়ং এডাল্টহুডে। যেই কারণে যারা স্বচক্ষে মুক্তিযুদ্ধ দেখসে সেই প্রজন্মের কোন টেনশন নাই। আর কালকে ভার্সিটি ভর্তি হওয়া বান্দরের দল মুক্তিযুদ্ধ কইরা ফাডায়া ফেলতেসে।

এখন সবশেষে যেইটা হইসে, স্কিযোফ্রেনিয়া আক্রান্ত ছবুর পাগলার মতো এদিক সেদিন থুথু ছিটায়া শাহবাগিরা সারাদিন চিৎকার করে যাইতেসে ‘সব কুছ ঝুটা হ্যায়’। দেশ ও জনগণের স্বার্থে, বরং পুরো পৃথিবীর অস্তিত্বের স্বার্থে এদের দ্রুত ট্রিটমেন্ট প্রয়োজন। জাতিসংঘের কাছে আবেদন জানাই, একটা খাঁচা বানান যেইখানে মোটামুটি তিন চারশ মানুষকে রাখা যাবে। সেই খাঁচা শাহবাগে স্থাপন করে এই শাহবাগি স্কিযোফ্রেনিয়াকদের উপশম করে বাংলাদেশের অস্তিত্ব রক্ষা করুন।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s