এমনে কিছু বুঝিনা

এমনে কিছু বুঝিনা বাল তলা দিয়া …………

এককালে আম্রা কিরিকেট খেলতে খেলতে টায়ার্ড হয়া গেসলাম। বুঝতে পারলাম জাতীয় দলে চান্স পাওয়ার দূরতম সম্ভাবনা নাই কারো। সুতরাং বিকালটা কাটানো শুরু করলাম আসাদ গেটে আড়ং এর সামনে। তয় আম্রা ইভটিজার ছিলাম না। দীর্ঘ এক দেড় বছরে কোন মানুষকে বিন্দুমাত্র ডিষ্টার্ব করসে আমাদের কেউ, এটা শত্রুও বলতে পারবে না। আম্রা কেবল নিরীহ দর্শক এবং আলুচক ছিলাম।

সেই সময় আবার শ্রদ্ধেয় বাৎসায়ন লিখিত অমর কিতাবটির অধ্যয়নচক্র সম্পন্ন হয়েছিলো। সুতরাং অবধারিতভাবে গবেষণার বিষয় হয়ে উঠলো কে হস্তিনী কে শঙ্খিনী ইত্যাদি ইত্যাদি শ্রেণীবিভাগকরণ সংক্রান্ত।

এইসময় আমাদের এক মেধাবী বন্ধু, যে বর্তমানে অনিবার্যভাবে উত্তর আমেরিকার একটি আইভরি টাওয়ারে বন্দি হয়ে যাতা খাইতেসে, একটা নতুন শ্রেণী আবিস্কার করলো। আম্রাও চমৎকৃত হয়ে গেলাম তার এই কৃতিত্বে। স্বয়ং বাৎসায়ন এ নিয়ে কিছু বলে যাননাই। আমাদের সবার মাথায় বিষয়টা ঘুরতেসিলো, কিন্তু কেউ কনসেপ্ট টাকে কোন নামান্বিত করতে পারেনাই। অবশেষে বন্ধুবর সেই নাম আবিস্কার করে ফেললো।

কিছু মানুষ আছে যাদের কাপড় চোপড় চরম প্রভকিং, অনেকসময় লজ্জায় দেখাও যায় না। অদ্ভুত অদ্ভুত সব আকৃতি ও গড়নের কাপড় পরে তারা আসতেন। এদের মাঝে আবার একটা শ্রেণী আছে যাদের চোখে মুখে চরম শিশুসুলভ সারল্য ভরে থাকতো। চেহারা দেখে মনে হতো জন্ম হওয়ার পর এখনো দুধও খায়নি, এতোই সরল। কিন্তু তাদের পরিধেয় ও শরীরী ভঙ্গিমা দেখে খোদ শয়তানও হোঁচট খাবে। সে এদের নাম দিলো ‘এমনে কিছু বুঝিনা **** তলা দিয়া **** যাওগা’।

পরবর্তীতে এমন কাউকে দেখা গেলে, যে প্রথম দেখেছে সে অনুচ্চকণ্ঠে সবাইকে সতর্ক করতো, ঐ দ্যাখ ‘এমনে কিছু বুঝিনা’ আইসে একটা।

বিস্ময় ও চমৎকারিতার আরো অনেক বাকী ছিলো। বহু বছর পরে এসে আমি আবিস্কার করলাম, এরা আসলে শাহবাগির দল। শাহবাগির দল জাফর ইকবাল ষাড় থেকে এই ষ্টাইলটা শিখেছে। চশমার উপর দিয়ে বড় বড় চোখ নিয়ে নিষ্পাপ ভঙ্গিমায় তাকিয়ে থাকবে। আবেগ মন্থিত ভাষায় বলবে, আমি রাজনীতি বুঝিনা আমি সমাজনীতি অর্থনীতি বুঝিনা আইন বুঝিনা, আমি শুধু বুঝি একাত্তরের কলঙ্কমুক্তি ছাড়া এই মানবজনম বৃথা। সুতরাং ফাঁসি চাই, তলা দিয়া ***** যাওগা।

আজকে এক ধেড়ে শাহবাগি নিষ্পাপ আলাভোলা ভঙ্গিতে জানতে চেয়েছে, স্কুল পুড়িয়ে দেওয়ার মানে টা কি?

আহা মরি মরি। শুনে মনে হয় বাবুর মুখের ডামিটা একটু আদর করে নেড়ে দেই। উনি কিছু বুঝেন না। দেশ পুড়ে যাচ্ছে কোন খবর নাই, স্কুল পোড়ার দুঃখে কাতর। মানুষ মরে যাচ্ছে কোন বিচার নাই স্কুল পুড়লে অশ্রুবন্যা।

নাটুকে নির্বাচনের কেন্দ্র হিসেবে যতগুলো স্কুল ব্যবহার করা হবে সবগুলো ধ্বংস হয়ে যাক, আগুনে পুড়ে যাক। এই বর্বর দেশে স্কুলের দরকার কিসের? বাসায় বসে বসে জাফর ষাড়ের বই পড়লেইতো হয়।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s