বাসে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়ানো প্রসঙ্গে লিষ্ট করার প্রস্তাবনা

উন্নত দেশগুলোতে একটা সিষ্টেম আছে। পিয়াল টাইপের লোকজন, যাদের আলুর দোষ প্রমাণিত, যারা এইসব কুত্তাগিরি করতে গিয়ে কখনো না কখনো ধরা খেয়েছে, তাদের একটা লিষ্ট রাখা হয় সবখানে। সেক্স অফেন্ডারস লিষ্ট।

ধরা যাক, মীরপুর দুয়ারীপাড়ার কোন এক চিপায় কোন এক শাহবাগি বিকৃত জমির চাচা একটা কিশোরী মেয়েকে সুযোগ পেয়ে নির্যাতন করলো। পুলিশ রিপোর্ট হওয়ার পর অটোমেটিকভাবে চারপাশের চিড়িয়াখানা, শিয়ালবাড়ি, রুপনগর, পল্লবী থেকে শুরু করে অন্যদিকে বেড়ি বাঁধ পর্যন্ত পুরো এলাকায় যতগুলো ইমরান, পিয়াল ও জমির চাচা তথা সেক্স অফেন্ডার বসবাস করে, লিষ্ট বের করে তাদেরকে পুলিশ ওয়াচ করা শুরু করবে। ঘটনার সময় তাদের কি অবস্থা ছিলো তা বের করার চেষ্টা করবে। কেউ খুব বেশি সন্দেহভাজন হলে, বা ভিকটিমের বর্ণনার সাথে মিলে গেলে এমনকি তাকে থানায় এনে জেরাও করে।

এই জিনিসটা খুবই কার্যকরী। ক্রিমিনলজিতে বলে, অপরাধী যে অপরাধ করে মজা পায়, ঐটা সে আবার করে। দশ বিশ ত্রিশ বছর পরে হলেও। এমনকি অনেক বিজ্ঞানীর মতে এইটা জেনেটিক।

বাংলাদেশে বাসে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারার একমাত্র প্রমাণিত ট্র্যাক রেকর্ড আছে শেখ পরিবারে। শেখ সেলিম আর তার দল আওয়ামী লীগ এই পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে, এবং এভাবে কাজকর্ম করে সরকারও পতন করিয়েছে।

যারা মারা যাচ্ছে তারা এই রাষ্ট্র থেকে ন্যায় বিচার পাবে না। এদেশের পুলিশ নিরপেক্ষ তদন্ত করবেনা, এদেশের আদালত ন্যায় বিচার করবেনা, এমনকি এদেশের পত্রিকা আর টিভিগুলো সঠিক খবরও দেবেনা। সুতরাং আগুনে পুড়ে যাওয়া মানুষদের আত্বীয় স্বজনের একমাত্র করণীয় হলো আওয়ামী নেতাদেরকে হত্যা করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। এইসব কাজ করতে পারে এরকম দশ বিশটা আওয়ামীকে খুন করা হলে, শত শত সাধারণ মানুষ আগুনে পুড়ে বিভৎস মৃত্যু থেকে বেঁচে যাবে।

সরকারী ধর্ষন ট্রিলজিঃ পার্ট টু

ঘুম ভেঙ্গে গেছে কর্ণেল জিয়াউলের, চোখ দুটো অবশ্য এখনো বন্ধ। নাসিমার কথা শোনা যাচ্ছে, সম্ভবত ফোনে কথা বলছে কারো সাথে। মেজাজটা খিচড়ে গেলো। দুপুরের কথা মনে পড়ে গেছে, তখনও মেজাজ চরম খারাপ ছিলো। শরীরটা ভেঙ্গে আসছিলো, ইউনিফর্ম না খুলেই বেহুশের মতো ঘুমিয়ে পড়েছিলো সে।

রাতে সাতক্ষীরায় অপারেশন ছিলো। এরপর ঢাকা পৌছতে পৌছতে বিকেল। র‍্যাবের পাজেরো গাড়ি গুলো অনেক কমফোর্টেবল, তবু জিয়াউলের অনেক ক্লান্তি লাগছিলো। গাড়ি বা ট্রেনে তার ঘুম আসে না। এমনকি বিমানভ্রমণের সময়ও সে ঘুমাতে পারেনা। সারা রাতের দৌড়াদৌড়ি আর দীর্ঘ দশ বারো ঘন্টার জার্নি শেষে বিকেলে বাসায় ঢুকে যদি দেখে জাফর সোফায় বসে আছে, তখন কেমন লাগে?  Continue reading

সরকারী ধর্ষন ট্রিলজিঃ পার্ট ওয়ান

সিলেটে পড়ার সময় আরিফ ছিলো ভার্সিটির পরিচিত মুখ। গণিত অলিম্পিয়াড, বিতর্ক, বই পাঠ প্রতিযোগিতা সব কিছুতে প্রথম সারির অংশগ্রহণকারী, পরে সে হয়ে গেলো আয়োজনকারীদের একজন। জাফর ইকবাল স্যারের ক্লোজ সার্কেলটার অল্প কয়েকজন ছাত্রের একজন। স্যারের এক ভক্তের সুবাদেইতো গ্রামীণফোনে মোটা বেতনের চাকরীটা হয়ে গেলো, মাষ্টার্সের থিসিস সাবমিট করার আগেই।

এখন আরিফ সারাদিন অপেক্ষা করে কখন অফিস শেষ হবে। সারাদিনই নাদিয়ার কথা ভাবে সে। রুপনগরে নতুন উঠা এপার্টমেন্টের বাসাটা তাকে সারাদিন চুম্বকের মতো টানে। অফিসের গাড়ি যখন তাকে বাসার সামনে নামিয়ে দেয় তখন লিফটের জন্য অপেক্ষা করতেও তর সয় না। অসহ্য মনে হয়। অবশ্য সপ্তাহের কোন কোন দিন তার বউ নাদিয়া দেরী করে অফিস থেকে ফেরে, ঐসব দিনে সে বাইরের কাপড় না খুলেই বসে বসে টিভি দেখে। Continue reading

আওয়ামী লিঙ্গ প্রদর্শন

একটা ছবি দেখলাম, প্রকাশ্যে পুরুষাঙ্গ প্রদর্শনের ছবি। এই বীরপুরুষটি মুজিবীয় আদর্শের এক সোনার সন্তান, হাসিনার মানসপুত্র।

সুপ্রিমকোর্টের সামনে বিরোধীদলীয় আইনজীবি আর বিক্ষোভকারী দলের প্রতি তার বিকট রঙ এর ক্ষুদ্রাকৃতি লিঙ্গটি দেখিয়ে সে কিছু একটা বলতে চাইছে। অব্যক্ত বক্তব্যের ঝাঁজে তার হাতে ধরা বাংলাদেশের পতাকাটি তার লিঙ্গ বরাবর মাটির দিকে নুয়ে আছে। হাতের পতাকা নুয়ে থাকলেও মাথায় পতাকাপট্টি বাঁধতে অবশ্য ভুল করেনি সে। পুরো দৃশ্যটা দেখে চিন্তায় পড়ে গেলাম, কি সেই মুল্যবান কথাটি যা সে বলতে চাইতেছে প্রাণপণে?

হয়তো সে বলতে চাইছে, এই যে দেখো এইটা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের আসল হাতিয়ার। এইটা দিয়াই আম্রা তোমাদের মা বোনদের ঠান্ডা করি।

অথবা হয়তো সে বলতে চাইছে, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে গেলে জাফর ষাড়ের চেতনার মালিশে এইটা বড়ো হয়। বিরোধীদলীয় পুরুষদেরকে সে একটা ডেমোনেষ্ট্রেশন দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আসতে উৎসাহিত করছে। দুঃখের বিষয় হলো তার নিম্নাঙ্গটি আন্ডারসাইজড হওয়াতে বিজ্ঞাপন ফ্লপ।

অথবা তার বক্তব্য শুধুমাত্র লিঙ্গ নির্ভর নয়, বরং এখানে পতাকাটিরও একটা ভূমিকা আছে। সে হয়তো বলতে চাইছে এই অঙ্গ দিয়ে আমরা পতাকা দাড় করিয়ে রাখি। হু হু। এই মুহুর্তে নুয়ে আছে ঠিকই কিন্তু শাহবাগে গেলে পতাকা দাড়িয়ে যায়। আম্রা মুক্তিযুদ্ধের পতাকা সমুন্নত রাখবো মুজিবসেনা। হু হু।

যাইহোক, আসল মেসেজটা কি তা জানার জন্য আমাদেরকে যেতে হবে শেখ হাসিনার কাছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস এই কাজের হুকুম তিনিই দিসেন। সুতরাং তিনিই জানেন কি বলতে চান তিনি এই হতভাগা জাতির উদ্দেশ্যে।