সরকারী ধর্ষন ট্রিলজিঃ পার্ট টু

ঘুম ভেঙ্গে গেছে কর্ণেল জিয়াউলের, চোখ দুটো অবশ্য এখনো বন্ধ। নাসিমার কথা শোনা যাচ্ছে, সম্ভবত ফোনে কথা বলছে কারো সাথে। মেজাজটা খিচড়ে গেলো। দুপুরের কথা মনে পড়ে গেছে, তখনও মেজাজ চরম খারাপ ছিলো। শরীরটা ভেঙ্গে আসছিলো, ইউনিফর্ম না খুলেই বেহুশের মতো ঘুমিয়ে পড়েছিলো সে।

রাতে সাতক্ষীরায় অপারেশন ছিলো। এরপর ঢাকা পৌছতে পৌছতে বিকেল। র‍্যাবের পাজেরো গাড়ি গুলো অনেক কমফোর্টেবল, তবু জিয়াউলের অনেক ক্লান্তি লাগছিলো। গাড়ি বা ট্রেনে তার ঘুম আসে না। এমনকি বিমানভ্রমণের সময়ও সে ঘুমাতে পারেনা। সারা রাতের দৌড়াদৌড়ি আর দীর্ঘ দশ বারো ঘন্টার জার্নি শেষে বিকেলে বাসায় ঢুকে যদি দেখে জাফর সোফায় বসে আছে, তখন কেমন লাগে?  Continue reading

Advertisements

সরকারী ধর্ষন ট্রিলজিঃ পার্ট ওয়ান

সিলেটে পড়ার সময় আরিফ ছিলো ভার্সিটির পরিচিত মুখ। গণিত অলিম্পিয়াড, বিতর্ক, বই পাঠ প্রতিযোগিতা সব কিছুতে প্রথম সারির অংশগ্রহণকারী, পরে সে হয়ে গেলো আয়োজনকারীদের একজন। জাফর ইকবাল স্যারের ক্লোজ সার্কেলটার অল্প কয়েকজন ছাত্রের একজন। স্যারের এক ভক্তের সুবাদেইতো গ্রামীণফোনে মোটা বেতনের চাকরীটা হয়ে গেলো, মাষ্টার্সের থিসিস সাবমিট করার আগেই।

এখন আরিফ সারাদিন অপেক্ষা করে কখন অফিস শেষ হবে। সারাদিনই নাদিয়ার কথা ভাবে সে। রুপনগরে নতুন উঠা এপার্টমেন্টের বাসাটা তাকে সারাদিন চুম্বকের মতো টানে। অফিসের গাড়ি যখন তাকে বাসার সামনে নামিয়ে দেয় তখন লিফটের জন্য অপেক্ষা করতেও তর সয় না। অসহ্য মনে হয়। অবশ্য সপ্তাহের কোন কোন দিন তার বউ নাদিয়া দেরী করে অফিস থেকে ফেরে, ঐসব দিনে সে বাইরের কাপড় না খুলেই বসে বসে টিভি দেখে। Continue reading