হত্যার হুমকি নামের সস্তা কার্ড নিয়ে আওয়ামী রাজনীতি

মুজিবীয় তরিকার শাহজাদা, ভবিষ্যতের গদিনশীন পীর, তথ্যবাবা হিসেবে একনামে পরিচিত ভন্ডটা সারাজীবন কাটাইসে উন্নত দেশে।
অনেকে বলেন, এইদেশে রাজনৈতিক কালচারের পরিবর্তন আনবে জয়।
হ, গুপ্তকেশ আনবে।
তার কান্ডকীর্তিতে পুরানা কথাটাই নতুন করে প্রমাণিত হইসে: ব্যাধি সংক্রামক, স্বাস্থ্য না।
এবং জনগণের টাকায় আম্রিকায় রেকলেস ড্রাইভিং আর মদ-মাগি নিয়ে ফুর্তি করা জয়ের রক্ত যে বিশুদ্ধ, এইটা সে প্রমাণ করলো হত্যা হুমকির সস্তা কার্ড খেলার চেষ্টা করে।

Image

এই হত্যা হুমকির রাখালীয় আর্তনাদ বাংলাদেশের জনগণ বহুদিন থেকে দেখে আসতেসে।
বাপের মৃত্যুর ঘটনা পুঁজি করে রাজনীতি করসে শেখ হাসিনা।
নিজের চৌদ্দগুষ্ঠির জন্য এসএসএফ এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করসে।
হাজার এসএসএফ এর নিরাপত্তাও যে তকদীরের সামনে কাঁচের মতো গুড়িয়ে যেতে পারে, এই ফেরাউনের দল এইটা কোনদিন বুঝবে না।
আর মায়ের আপাত: সফলতা দেখে জয়ও স্থির থাকতে পারলো না।
এই পীর এবং তার দন্ড আঁকড়ে থাকা বাকশালীরা পুরা দেশ তোলপাড় করা শুরু করসে, উইলিয়াম গোমেজ না কি হত্যার হুমকি দিয়া টুইট করসে।
দীর্ঘদিন ধরে উইলিয়াম গোমেজের লেখাতে আন্তর্জাতিকভাবে আওয়ামী লীগের ভালো বাঁশ গেসে।
সুতরাং এইটা একটা ভালো সুযোগ তারে শুলিতে চড়ানোর জন্য।
টুইটার একাউন্ট টা যদি গোমেজের আসল একাউন্ট হয়, তাহলে সে লিখসে: “আশা করি হাসিনার পরিণতি হবে তোমার নানুর (মুজিবের) মতো।”

এই আশা প্রকাশ করার অর্থ হইলো হত্যার হুমকি?
বালের দেশ পাইসে এরা।
“হায়েনা মরে না কেন” এই কথা বললেই সাত বছরের জেল হয় বুয়েট শিক্ষকের!
আমি আশা করি, জয়ের মৃত্যু হোক তার নানার মতো।
আল্লাহ, এই পীরবংশের শাহজাদাকে ধ্বংস করে দিন।
আর ঐ শেখ হাসিনা যেন বেঁচে থাকে।
ঐ ডাইনী তার বাপ মার মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে গিয়ে দেশটা ধ্বংস করসে।
কিন্তু ছেলের মৃত্যুর প্রতিশোধ নেয়ার আর কোন সুযোগ পাবে না স্বাভাবিকভাবেই।
তখন সারাজীবনের নিভে আসা প্রতিহিংসা হাজারগুণে বেড়ে গিয়ে তাকে তার স্বাভাবিক মৃত্যু পর্যন্ত জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছাড়খার করে দেবে।
তার জীবনের প্রতিটা মুহুর্ত হবে মৃত্যুর চেয়ে কষ্টকর।
এবং হাজার হাজার সন্তানহারা মায়ের কষ্টের ছিটেফোটা যদিও সে বুঝবে না, কিন্তু কিছুটা স্বাদ পাবে।

– ভন্ড জয়ের দাড়িওয়ালা ব্যাঙ্গাত্বক ছবি কৃতজ্ঞতা: জাতির নানা
Image