কমিউনিটি ব্লগ, বাঙালীর চরিত্র ও যথার্থ শাসন ব্যবস্থা

মাঝখানে একটা সময় কমিউনিটি ব্লগ ছিলো বাংলাভাষীদের ভার্চুয়াল মিথস্ক্রিয়ার প্রধান উপায়।
পিলখানা হত্যা বসুন্ধরা আগুন ভুমিকম্পে পাহাড় ধ্বস এমন সব বড় বড় ঘটনার সময় সামহোয়ার পাবলিকের ভীড়ে গিজগিজ করতো।
সার্ভারে ভীড়ের কোনাকাঞ্চি দিয়ে ঢুকার জন্য যুদ্ধ করতে হতো।
কমিউনিটি ব্লগের এহেন রমরমা অবস্থা দেখে ধুমধাম অনেকগুলো নতুন ব্লগ খুলে গেলো।
সুশান্তের মতো চোরচাট্টা টাইপের পাবলিকও মহারথী বনে গেলো।
আর এখন?সেই সামু এবং অন্যান্য ব্লগগুলোতে মতিঝিল গণহত্যার মতো বিশাল ঘটনা আর উৎকণ্ঠাময় রাতেও নিয়মিত ঘুরঘুর পার্টি আর লুল/রেসিপি অবসর ধান্দা ছাড়া সাধারণত আর কেউ যায় না।
গণমাধ্যম হিসেবে সম্ভাবনাময় কমিউনিটি ব্লগ পরিণত হয়েছে চ্যাটরুমে।
এখন কিছু নেড়ি কুকুর ঘেউ ঘেউ করে ঘুরে এককালের জমজমাট ব্লগে।
এদিক সেদিক তাদের চিৎকারগুলোকে প্রতিধ্বনিত করার চেষ্টা করে।
আর ভার্চুয়াল মিথস্ক্রিয়া এখন সরে এসেছে ফেসবুকে।
এর একমাত্র কারণ হলো ফালতু মডারেশন।
ছোট একটা স্কেলে আবার প্রমাণিত হলো বাঙ্গালীর পক্ষে ভালো কিছু করা সম্ভব না।
জানার পকেটে পুরে রাখা ব্লগে কথা বলার চেয়ে জুকারবার্গের ফেসবুকে কথা বলার স্বাধীনতা অনেক বেশি।

বহুত চেষ্টা হইসে।
চল্লিশ বছরের বেশি হইসে।
আর দরকার নাই।
এই দেশটাকে চালানোর দায়িত্ব নির্বাচন/রাজনৈতিক দল/সুশীল সমাজ এইসব ধান্দাবাজি বাদ দিয়া বিদেশীদের হাতে ছেড়ে দেয়া হোক।
পুরা দুনিয়া আগায়া গেসে, কিন্তু আমরা এখনো কলোনিয়াল শাসন থেকে মুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করিনাই।
জার্মানি দক্ষিণ আফ্রিকা ভিয়েতনমা কেম্বোডিয়া সালভেদর চিলি পেরু রোয়ান্ডা এইসব দেশগুলা আমাদের চাইতে অনেক বেশি কঠিন বিভেদ ও হানাহানি সাফার করসে।
কিন্তু এখন তারা তাদের দেশের ঘাড় ধইরা আদিম যুগে ফিরানোর জন্য জানপ্রাণ দেয়না।
দেয় শুধু বাঙ্গালীরা।
সুতরাং, এই দেশটারে আবার কলোনী বানাউক যে কেউ।
সাদা চামড়াওয়ালারা রাজি না হইলে দরকার হইলে কালা চামড়াদের দেয়া হউক।
রেসিষ্ট বাংলাদেশীদের জন্য যে কোনটাই মন্দের ভালো।

১৯.০৫.২০১৩/ আগামী একমাসের জন্য বাংলাদেশে সব সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ঢাবির শিক্ষক গোলামের মতে বাংলাদেশে আল জাযিরাকে নিষিদ্ধ করা উচিত।