হুমায়ুন আযাদের পুত্র অনন্য আযাদের প্রস্থান

হুমায়ুন আযাদ সাহেবের গুণধর পুত্র অনন্য আযাদ শেষপর্যন্ত কিবলাস্তানে পাড়ি জমালেন আজ। বাংলাদেশ খুবই ভয়ংকর জায়গা। খালি জঙ্গি আর জঙ্গি, কুনদিন কল্লাটা নামায়া দেয় ঠিক নাই। তার চাইতে যাওয়াটাই ভালো। তার যাত্রা শুভ ও নিরাপদ হোক।

আশা করতেসি বেকুবি কইরা আবার চিপায় চাপায় কোন গাঞ্জার পোটলা নেয় নাই, নাইলে কিন্তু চেকিং এর সময় বিপদে পড়তে পারে। তার বিদেশস্থ গুরুরা আশা করি তারে জানাইসে যে পকেটে কইরা আনার দরকার নাই। দোকানে গেলে এমনেই দশ গ্রাম মারিজুয়ানা/ক্যানাবিস বৈধভাবে খরিদ করা যায়। অবশ্য এইটাও ঠিক, প্রবাসী শাহবাগিদেরকে আফসুস করতে শুনি মাঝে মইধ্যে। এইটার সাথে না কি সেইটার কোন তুলনাই হয়না। দেশীয় পণ্য সত্যিই অনন্য!

যাইহোক, এতোদিন সে খাসি মহিউদ্দিনের চামচামি করসে। কথাবার্তায় কোন মেধা অথবা স্বকীয়তা প্রমাণ করতে পারেনাই এপর্যন্ত। বাপের নামের ভারে কিছু কাটাকাটি হইসে, ব্যাস। ঐ নামের জোরেই বোতল খোলার সময় তারে সাথে নিয়া ছবি তোলা হইসে। কিন্তু বিদেশে গিয়া যদি সে পড়ালেখা কিছু করে, তাইলে বাংলাদেশের ইসলামপন্থীদের জন্য চ্যালেঞ্জ দিতেও পারে।

যদিও সম্ভাবনা কম। বাঙ্গালী জাত তো, বই পড়তে আরাম লাগে না। পানি আর মাংসের টান, হইচই ভংচং এগুলাতে টাইম যায় গিয়া। এইরকম কত আসলো গেলো। দেখা যাক কি হয়। হুজুরদের উচিত পড়ালেখা বাড়ানো। আপনেগো লাইগা কিন্তু মানবাধিকারের কোম্পানি গুলা এজেন্সি অফিস খুইলা বইসা নাই, আল্লাহর দুনিয়ায় নিজেদের ঠাই নিজেদেরকেই বানাইতে হবে। হিজবুতি ছাগলাদের তালে পইড়া কুফফার-ড্যান্স নাচলে এইপার ওইপার দুইপারই শেষে আন্ধার কিন্তুক।

আর বাকি যেই শাহবাগিরা এখনো দেশের ভেতর পচতেসে, দুতাবাসগুলার দয়াদ্র মনযোগ আকর্ষণ করতেসি। খাসিগুলা বহুত কষ্ট করসে, আপনারা আর কত ঝুলায়া রাখবেন? বিশেষ করে যেই চারটা জেলে গেসিলো, তাদের মাঝে দুইটা তো আর সহ্য করতে পারতেসে না। বেশি টাইট দিলে কিন্তু প্যাচ কাইট্টা যাবে। সুতরাং একটু নজর দেন এদিকে।