শাহবাগ ও জামায়াত

আজকে রেকর্ড পরিমাণ ষ্ট্যাটাস প্রসব করসি। এইভাবে চলতে থাকলে আর অন্য কিছু করা লাগবে না! তাছাড়া চার বছর আগে পাঁচ ডলারে কেনা মাউসটা নষ্ট হওয়ার পর মনে হইতেসে প্রকৃতির কোন ইশারা আছে। এমনে এমনে এতো বড় ক্ষতি হয় না 

তাই আপাতত একটা শেষ চিন্তা বন্ধুগো লগে শেয়ার করিয়া আজকের মতো বিদায়। শাহবাগিরা যা করতেসে, সবচেয়ে বড় বেনিফিশিয়ারী কে?
জামায়াত। Continue reading

জামায়াত নিষিদ্ধ প্রসঙ্গে মিজানুর রহমান খান

প্রথম আলোতে মিজানুর রহমান খান জামায়াত নিষিদ্ধের রায়ের উপ্রে একটা বয়ান দিয়েসেন। এখন তার উপরে আমি একটু বয়ান দিবো। খ্যাক খ্যাক 

প্রথমেই ধরে নেই, আমি জানিনা মিজানুর রহমান খান কে। কোনরকম পূর্বধারণা ছাড়া তার লেখাটা একবার পাঠ করি। অতঃপর এখন আমি জানি, মিজানুর রহমান খান একটা শাহবাগি বেজন্মা। কারণ মিথ্যা, কুযুক্তি এবং ত্যানা পেচানো ছাড়া লেখাটাতে আর কিছু নাই। এই সিষ্টেম সে শিখছে মগাচিফের কাছ থেকে, অথবা ভাইসভার্সা।

তিনি অত্যন্ত সুললিত ভাষায় পরিস্কার করে বলেছেন, দুটি পয়েন্টে তার চুলকানি আছে। মুজিবনগর সরকার জামায়াতকে নিষিদ্ধ করেছিলো, এবং জামায়াত মওলানা মওদুদীর চিন্তাধারা অনুসরণ করে।

মুজিবনগর সরকার জামায়াতকে নিষিদ্ধ করসিলো খুব ভালো কথা, মুজিবকেই তো পনেরো আগষ্টে বাংলাদেশের মানুষ নিষিদ্ধ করে দিসিলো। সিদ্ধ নিষিদ্ধ এগুলা ইতিহাসের ধারাবাহিকতা। আর কয়দিন গেলে শাহবাগিগুলাই নিষিদ্ধ হইবো।

এরপর তিনি জামায়াতের দরদী শুভাকাংখী হয়ে জামায়াত নেতাদের কি করা উচিত আর কি উচিত না তার বয়ান দিয়েসেন। এই খেলা আম্রা সাধারণ মানুষ বহুদিন থেকে দেখতেসি। জামায়াতের কি করা উচিত তা নিয়ে জামায়াতীদের টেনশনের চেয়ে শাহবাগিদের টেনশন বহুগুণে বেশি। সুতরাং এইটাও নতুন কিছু না। বাসি জিনিস।

তার সবচেয়ে বড় চুলকানি হলো জামায়াত মওদুদীবাদে বিশ্বাস করে। কেউ যদি মাওলানা মওদুদীর অন্ধভক্ত হয় আর অন্ধ অনুসরণ করে, তাইলে তারে ডিফেন্ড করার কোন দায় অনুভব করিনা। আমার ব্যাক্তিগত অভিমত, জামায়াত কিছু ক্ষেত্রে গোড়ামী ও অসভ্য প্রতিক্রিয়াশীলতার পরিচয় দিসে। তাই আমি জামায়াতকে ‘অ্যাজ-এ-হোল’ ডিফেন্ড করিনা। কিন্তু তাই বইলা এই চান্সে মওলানা মওদুদীর উপর ঝাল মিটানোর কিছু নাই।

এইটা একটা চমেতকারি ল্যাঞ্জা উন্মোচন টেষ্ট। যখন দেখি কেউ মওদুদীদের গালি দিতাসে অথচ ইসলামের অন্য হাজারো দিক নিয়া কোন আগ্রহ নাই, সবসময় প্রমাণ হইসে যে এগুলা শাহবাগি মুক্তিযুদ্ধা চ্যাতনার পাবলিক। মওলানা মওদুদী মৃত্যুর পরেও ধন্য, শাহবাগিরা এখন পর্যন্ত তার নাম শুনলে তেলেবেগুণে জ্বলে উঠে ল্যাঞ্জা উদাম করে দেয়। ইসলামের ইতিহাসের বড় বড় ইমামরা পর্যন্ত বলে গেছেন, ‘আমার কথা ভুল হলে বাদ দিবা’। ঐখানে মাওলানা মওদুদী তো একজন চিন্তাবিদ মাত্র। তাঁর মতো ইসলামী স্কলার উনিশ এবং বিশ শতকে আরো অন্তত কয়েকজন ছিলেন। তাদের ভুল চিন্তার দায়ভার তাদের নিজেদের।

এইখানে একটা জিনিস মনে রাখা দরকার, মাওলানা মওদুদী যদি নিজেরে ইসলামের একটা স্বতন্ত্র চিন্তার জনক মনে করেন, তাইলে চিন্তাটাকে মওদুদীবাদ বলা যায়। যেমন মার্ক্স নিজেরে একটা চিন্তার জনক মনে করসে, সবাই বলে মার্ক্সবাদ। কিন্তু মওদুদী এইরকম কোন ডিক্লারেশন দিসিলেন কি না আমার জানা নাই। এমনকি রাসুল সা. নিজেও তো এমন কোন ডিক্লারেশন দেননাই। বরং ইসলাম হইলো আদম আ. থেকে চলে আসা ধর্ম। সুতরাং মুসলমানেও বলে না আমরা মুহাম্মদবাদে বিশ্বাস করি। একসময় মুসলিমদের ‘মোহামেডান’ বলে চালানোর জন্য ইউরোপিয় শাহবাগিরা বহুত চেষ্টা করসে। সেই চেষ্টায় কোন লাভ হয়নাই, আমরা দেখতেসি। সুতরাং মওদুদীবাদ বইলা শাহবাগি মিজান আজীবন ঘেউ ঘেউ করলেও কিছু হবেনা, বাস্তবে যদি কোন মওদুদীবাদ না থাকে।

আসল কথা হলো, মওদুদীর কথা ঠিক না বেঠিক – ঐটা মিজানের সমস্যা না। তার সকল চুলকানি অন্যখানে, সুকৌশলী গুপ্ত। আও আও ডুডু খাও বলে মমতাময়ী ও সভ্য-ভদ্র সাংবিধানিক ও আইনের শাসনের প্রতিষ্ঠা হ্যানতেল বালছালটাল ইত্যাদি ঘোমটাটার আড়ালে যে তার শাহবাগি বিষাক্ত চেহারা লুকানো আছে, সেইটা তিনি শেষপর্যন্ত লুকিয়ে রাখতে পারেননাই। লিখতে লিখতে মিজানুর এক পর্যায়ে নিজের উত্তেজনা আর ধরে রাখতে পারেন নাই “মওদুদীর পুরো দর্শন সংখ্যালঘু ও নারীবিদ্বেষী, শাহ আহমদ শফীর সঙ্গে তাঁর অনেক মিল”।

মাওলানা মওদুদীর জানের শত্রু মাওলানা শফীর সাথে মিল খুজে পায় এই সারমেয়র দল। মিলটা কোথায় তা আম্রা জানি, খিকজ। মনের কথা পরিস্কার করে বলার সুযোগ থাকলে এরা বলতো, “মওদুদী শফি আমিনী ওবায়দুল হক মুহিউদ্দীন সাঈদী যেই হোক না কেন, এগুলা সবাই সংখ্যালঘু আর নারীবিদ্বেষী। মুহাম্মদ সা. এর সাথে এদের সবার অনেক মিল”। (আল্লাহ মাফ করুন)।

পরিশেষে, আমার মতে মিজানুরের চাইতে মগাচিফ ভালো। এই কথাগুলা সরাসরি বলেছে মগাচিফ আর খাসি আরিফুর। সবগুলার আসল চুলকানি ইসলামে। কিন্তু মিজানুর জাফর ইকবালের মতো সুবিধাভোগী শাহবাগিরা তা সরাসরি না বলে ডুডু খাওয়ায়।

নির্বাচন কমিশনে জামায়াতের রেজিষ্ট্রেশন বাতিলের রায়

টক অফ দ্য কান্ট্রি হইলো জামায়াতকে মডুরা ব্যান করসে। ব্যান মুবারক!

একজন সাধারণ বাংলাদেশী এবং অতিসাধারণ মুসলিম হিসেবে এই ব্যানকে আমি স্বাগত জানাই। হয়তো অনেক রাজনৈতিক কারণ ছিলো স্বাধীনতার বিরোধীতা করার। হতে পারে জামায়াত একাত্তরে অহিংস ছিলো। কিন্তু সব কিছুর পরেও বাস্তবতা হলো জামায়াত এই দেশের স্বাধীনতার বিরোধীতা করেছিলো। সুতরাং বাংলাদেশে ‘জামায়াত’ নাম নিয়ে রাজনীতি করার সুযোগ কোন দলের থাকার কথা না, ন্যাচারালি। একইভাবে মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলাম অথবা পুর্ব-বাংলা কমিউনিষ্ট পার্টি (এমএল আবদুল হক) এর জন্যও একই কথা।

কিন্তু বাংলাদেশ হলো একটা জগাখিচুড়ি দেশ। আদর্শের কোন ঠিক ঠিকানা নাই, ক্ষমতা কুক্ষিগত করার রাজনীতিতে সবকিছু অস্পষ্ট ও নৈর্ব্যক্তিক রেখে দেয়া সুবিধাজনক। আর ঐটাই সবাই করে। সুতরাং কি উচিত, আর কি উচিত না, এগুলা বাংলাদেশে কোন ধর্তব্য বিষয় না। সবচেয়ে ইন্টারেষ্টিং বিষয় হলো মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতার কারণে জামায়াতের রেজিষ্ট্রেশন বাতিল হয়নাই, বাতিল হইছে দলটার গঠনতন্ত্রে আল্লাহ তায়ালার সার্বভৌমত্বের ঘোষণার কারণে। আমার মনে হইসে, জামায়াতের উপর হয়তো অলৌকিক কোন রহমত আছে। না হলে শেখ হাসিনা এইরকম বলদামি করলো কি ভাবে?

এই রায়ে দিয়ে আওয়ামী লীগ নিজে প্রমাণ করে দিলো, এদেশের জন্মের কূল-ঠিকুজি সঠিকভাবে নির্ণয় করা হয়নাই। কোনদিন হবেও না। বরং তারা শুধুমাত্র ক্ষমতার রাজনীতি কন্টিনিউ করার জন্য নতুন আরেকটা চাল দিসে। আওয়ামী লীগের আরো অনেকগুলো কাজ করার পরিকল্পনা আছে। তার মাঝে এইটা ছোট একটা ধাপ। সফল হবে কি হবে না, সফলতা মাপা যাবে কখন পাঁচ বছর না পঁচিশ বছর পরে, এগুলা জানার করার ক্ষমতা কেবল আলিমুল গায়েবের।

বাংলাদেশী হিসেবে আমি আনন্দিত, কারণ এই দেশটাকে আমি ইসলামী দেশ হিসেবে দেখতে চাই। সুতরাং এই দেশে সেকুলারিজম যত আত্বঘাতি কাজ করবে, আমি ততই আনন্দিত হবো। আল্লাহ তায়ালার সার্বভৌমত্বের বিপরীতে জনগণের সার্বভৌমত্ব এইদেশের জনগণই চায় না। শাহবাগি বেজন্মারা এই দেশের সিভিল সোসাইটি হইতে পারে, কিন্তু জনগণ না। সুতরাং ব্যাকফায়ার ভালোমতো হবে, চুপচাপ বসে দেখে গেলে যথেষ্ট।

ইসলাম আর সেকুলারিজমের সংঘাতের ইতিহাসে এই রায় বিশাল একটা রেফারেন্সও হয়ে থাকবে। পুরা দুনিয়া জুড়ে। মুসলমানরা জ্ঞান বিজ্ঞানে আগায়া গেলে আর অস্ত্র বানানো শিখলে ইতিহাসের ধারা বদলাবে। আপাতত না পারলেও শক্ত ভুমিকা যে রাখবে তাতে সন্দেহ আর নাই। সেই ইতিহাসে শেখ হাসিনা, তার দল আওয়ামী লীগ, তার দালাল বিচারপতি, এবং সবার সুবাদে রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশ নাম লেখায়া ফেললো। পাশাপাশি ভবিষ্যতে ইসলামপন্থীরাও আক্রমণাত্বক হইতে শিখবে। লুতুপুতু কোলাকুলি খেলা দিয়া দুনিয়াতে কোনদিন কিছু হয় না। আর গণতন্ত্র হইলো পানির মতো, যেই পাত্রে থাকবে সেই পাত্রের মতো রং। যেই গণতন্ত্রের অজুহাতে জামায়াতকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে নিষিদ্ধ করা হলো, সেই গণতন্ত্র দিয়া আওয়ামী লীগকে শতবার নিষিদ্ধ করা কোন ব্যাপার না। কিন্তু সেকুলারিজম আর ইসলাম দুইটা চিরদিনের জন্য বিপরীত শক্তি। এখন যা হইসে তা হলো, বাংলাদেশে আল্ট্রা-সেকুলারিজমের পায়খানা পরিস্কার করার জন্য আওয়ামী লীগ হাইকোর্টকে মেথর বানিয়ে ব্যবহার করলো।

জামায়াতের নেতারা সামষ্টিকভাবে এই পর্যন্ত ধৈর্য্যশীল নির্বোধ প্রমাণিত হয়েছে। ইসলামে ধৈর্য্য যেমন আছে, বুদ্ধিমত্তাও আছে। খেলাফতপাগলা আর উগ্রপন্থীছাগলার দল জামায়াতকে হেকমতের দল বলে বাঁশ দিতে চেষ্টা করে, অথচ জামায়াতের এইগুলা এখন পর্যন্ত বিচারে কোন হেকমত না বরং ছাগলামি। তারা চরম ধৈর্য্যের প্রমাণ দিছে অলরেডি, স্বীকার না করার কোন উপায় নাই। কিন্তু হেকমত? হাহাহাহা। দিল্লী বহুত দূর। হেকমত কি জিনিস শিখতে হইলে ইজরায়েলের কাছে যাইতে হবে। কোরআন হাদীসের মূলনীতি ঠিক রেখে যেদিন ইজরায়েলের মতো কাউন্টারপার্টকে নাকানি চুবানি খাওয়াইতে পারবেন, তখন হেকমত শব্দটা উচ্চারণ করিয়েন। ঐটা উচ্চারণ করার অধিকার এখন আছে এরদোগানের, কিংবা মুরসীর। ভারত এখনো জামায়াতকে ভয় করে না, বরং জামায়াতকে নিয়ে খেলাধুলা করে। যদি বিশ পঞ্চাশ বছর পরে বিশাল একটা পরিবর্তন আসে, তখন আবার হিসাব নিকাশ উল্টে যেতেও পারে।

আমরা বর্তমানের মানুষ, বর্তমান হিসাব করি। এই পর্যন্ত নি:সন্দেহে জামায়াত হেকমতের দুরদৃষ্টি দিয়ে দরকারী কাজ করতে পারেনাই। বরং এন্টি পার্টির তবলায় ঠোকা পড়ার পর সঙ্গত করছে। কিন্তু, এই ঠুকাঠুকিতে দেশের রাজনীতি আর ক্ষমতার ডিসকোর্সে শক্ত একটা অবস্থান নিয়ে ইসলাম উঠে আসছে। ঠিক এই কারণে জামায়াত শাহবাগিদের জানের শত্রু। ঠিক এই কারণে বাংলাদেশের ইতিহাসে জামায়াত এমন একটা পক্ষ, যার শক্তি নিয়ে বেশিরভাগ মানুষের কোন ধারণাই নাই। ঠিক এই কারণে বাংলাদেশ যদি আরো একশ বছর টিকে থাকে, একশ বছরই জামায়াতের নাম ও ভুমিকা ঘুরে ফিরে আসবে। এইখানে আপনার, আমার ও শাহবাগি জারজদের চাওয়া বা না চাওয়াতে কিছু আসবে যাবে না। বাংলাদেশের নীতিহীন রাজনীতির সুবাদে যা ঘটে গেছে, তা অলংঘনীয় অতীত। এইদেশে স্বাধীনতা ফাধীনতা এগুলা পশমের আলাপ আর অজুহাত মাত্র।।

যাইহোক, দৃঢ়ভাবে ধারণা করি এইরকম আত্বঘাতি গোল দিতে থাকলে কয়েক দশক পরে সেক্যুলার শাহবাগি বেজন্মার দল আফসোসে আফসোসে নিজেদের হাত কামড়াবে। এবং এই কারণে নগণ্য একজন মুসলিম হিসেবে আমি আনন্দিত।

সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মনোনয়ন নিয়ে জামায়াতের রাজনৈতিক ভুল সিদ্ধান্ত

সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন মনোনয়ন প্রসঙ্গে অনেকে বলছেন, আগে আওয়ামীলীগ কে ঠেকান।
পৃথিবীতে আসলেই কি কিছু ঠেকিয়ে রাখা যায়?
দুইহাজার এক সালের নির্বাচনের কথা মনে আছে?
ভারত ঠেকাও দেশ বাঁচাও। ভারত কি ঠেকেছে?
বাংলাদেশ এখন ভারতের অঙ্গরাজ্য।
ঐ নির্বাচনে শফিক রেহমানের ‘এককোটি তরুণ ভোটারের কাছে আবেদন’ পড়ে কনভিন্সড হয়েছিলাম।
আমরা কয়েক কোটি তরুণ ভোটার জীবনের প্রথম ভোট চার দলীয় জোটকে দিয়েছিলাম।
লাভ কি হয়েছে? কচু।
আইনানুযায়ী প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর গত একদশকে যা শিখেছি তা হলো, কোন কিছু আসলে ঠেকিয়ে রাখা যায় না।
অল্টারনেটিভ দিতে হয়।
আওয়ামী লীগকে ঠেকাতে বিএনপি অল্টারনেটিভ? হাহাহাহাহা।
জোবায়ের ভাই এর মতো নেতা পুরো বিএনপিতে কয়জন আছে? বিরল।
জামায়াতকে আজ থেকে রাজনৈতিক দল হিসেবে সমর্থন দিতে পারছি না।
যে কোন সুস্থ মস্তিস্কের মানুষের উচিত এখন জামায়াতকে দুই অস্তিত্ব দিয়ে বিচার করা।
রাজনৈতিক ও আদর্শগত।
যদি বিএনপিকে শেষ পর্যন্ত ভোট দিতে হয় তাহলে ঘুরিয়ে দিবো কেন?
তাহলে রাজনৈতিক সমর্থন সরাসরি বিএনপির দিকেই যাক।
মাঝখানে দালাল হিসেবে জামায়াতের থাকার দরকার নাই।
সমস্যা হইলো, বালের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার রাজনৈতিক না আদর্শগত বিষয়?
আইনমন্ত্রী শফিক বেলজিয়াম জিয়াউদ্দিন বিচারপতি অন্যান্য বড় বড় মন্ত্রী সবগুলো বাম।
তাদের কাছে এটা আদর্শগত সমস্যা নিসন্দেহে।
কিন্তু পালের গোদা শেখ হাসিনার কাছে এটা নিছক রাজনৈতিক বিষয়।
রাজনৈতিক শত্রুকে দমন করার উপায়।
অন্য যে কোন খাঁটি আওয়ামী লীগারের ক্ষেত্রেও বিষয়টা একই।
সুতরাং যদি এইটা রাজনৈতিক প্রসঙ্গ হয় তাইলে বিএনপির চশমা দিয়া দেখলে তো দেখা যায়, ঝুলায়া দেউক।
ছাগলগুলা একাত্তরে ভুল সিদ্ধান্ত নিসে। ছিয়ানব্বই এ নিসে, দুই হাজার একে নিসে।
দুইহাজার তেরোতে আইসা অলৌকিক ভাবে ভালো সিদ্ধান্ত নিবে এইটা আশা করাই ভুল ছিলো।
সরকারের কুত্তামাইরেও ঠিক হয়নাই।
যদি জোটবদ্ধভাবে করতেই হয় তাহলে ঘোষণা দেয়ার কি দরকার ছিলো?
রাজনীতির খেলা?
জামায়াতরে মানায় না।
এইটা জামায়াতের জন্য হইসে স্রেফ রাজনৈতিক পতিতাবৃত্তি।
আনোয়ার হোসেন মঞ্জু (ঢাকা ডাইজেষ্ট) পনেরো বছর আগে বলছিলো।
ভুল বলেনাই।