হিজাব নিয়ে মিতা হকের চুলকানির বৃত্তান্ত

মিতা হক রোকেয়া প্রাচীদের বিষয়টা বুঝতে হলে আমাদেরকে একটু ইতিহাসের কাছে ফিরে যেতে হবে। এখানে কিছু ইন্টেলেকচুয়াল আলাপ হওয়ার কথা, কিছু রসের কথাও হতে যাবে।

কিন্তু অনুতাপের বিষয় হলো ঈদ এখনো জারি রয়েছে। পেয়ারা নবী সা. আমাদেরকে তিনদিন ঈদ উদযাপন করতে আদেশ করেছেন। সেই উদযাপন করতে গিয়ে একটু আগে এমুন খানা খাইসি, মিতা হক তো দূরের কথা, মিতা হকের সদ্য মাসিকপ্রাপ্তা তেরো বছর বয়সী কন্যা এসে দাড়ালেও আমার পক্ষে আজকে রাতে কিছু করা সম্ভব না।। ভুড়ি আকাশের দিকে তাক করিয়া শুয়া আছি, আর কোনমতে একপাশে একটু কাত হয়ে সংক্ষেপে ষ্টাটাস দিতাসি।

যাইহোক, ঘোমটা ইসলাম বাঙ্গালী দাড়ি সংস্কৃতি রবীন্দ্র এইসব গুপ্ত আলাপ একটু সাইডে রাখি। সাদাচোখে দেখলে দেখি আল্লাহ মানুষরে দুনিয়াতে বানাইসেন নারী আর পুরুষ হিসেবে। সেই প্রথম মুহুর্ত থেকে একশন চলতেসে, কিয়ামতের চুংগায় ফুক পড়া পর্যন্ত চলবে। [বাঁশি কোন ফেরেশতা বাজাইবেন এ মুহুর্তে মনে পড়তেসে না, আযাযীল না ইসরাফিল? :(]  Continue reading

Advertisements

নাফিসের ৩০ বছর কারাদন্ড

বেচারা নাফিস!!! এফবিআই থেকে নুসরা নিতে গিয়ে ত্রিশ বছরের জন্য জেল। আম্রিকান পেনিটেনশিয়ারির যে সুনাম, কার সাথে থাকবে কি করবে কে জানে! বয়স এখন বিশ হইলে, যখন বাইর হবে তখন তার বয়স হবে পঞ্চাশ। এক জীবন শেষ। ট্রাজেডি। আর যদি কপালে অন্য কিছু থাকে তো অন্য কিছু।

আম্রিকার ষ্ট্রিং কাজকারবার দেখে বড়ই ষ্ট্রেঞ্জ লাগে। লাদেনের পোলায় নুসরা নিলো, এক নাইনিলেভেনে পুরা দুনিয়ার মুসলমানের দল নাকানি চুবানি খাইতেসে। রিজওয়ানুল আহসান নাফিস নুসরা নিলো, ফেডারেল রিজার্ভের ঘোলচক্করে এখন তার জীবন যৌবন সব সডমাইজড। আল্লাহর দুনিয়ার বিচার বুঝা দায়। এই যে আওয়ামীলীগ বাংলাদেশে ক্ষমতায় আসার জন্য দুতাবাসের এতো নুসরা নিতাসে, কোনরকমে যদি জয়রে দশবছরের জন্য আফ্রিকানাম্রিকান ভাইদের সেলমেট করা যাইতো, তাও তো মনরে একটু বুঝ দেয়া যাইতো 

কয়দিন আগে দেখলাম অলিম্পাস হ্যাজ ফলেন। আজ দেখলাম হোয়াইট হাউস ডাউন। বোগাস। কিন্তু কল্পনা করতে ভালো লাগে আম্রিকা তাসের ঘরের মতো পড়তেসে। সিনেমার শেষটা পুরা বদলায়া গেসে। অক্ষমের কল্পনা। হিযবুতি ভাইদের নুসরার আশারও তো শেষ নাই। সুতরাং আমার দোষ কি? এই জীবনে দেখার সুযোগ পামু কি না আল্লাহ মালুম।

বাংলাদেশীদের পাক-প্রেম এবং শাহবাগিদের ডাবল ষ্ট্যান্ডার্ড

দরবেশ বাবার ইনডিপেন্ডেন্ট টিভি দেখছিলাম। একটা নিউজ আইটেম আসলো বাংলাদেশ হকি টিমের পাকিস্তানী কোচ নাভিদ আলম বাংলাদেশে ঈদ করছেন, তা নিয়ে। হকি ফেডারেশনের সভাপতি উইং কমান্ডার রাফি সাহেবের বাসায় তিনি ঈদের দিন কাটিয়েছেন। ক্যামেরার সামনে রাফি দরজা খুলে দিলেন, তারপর নাভিদের সাথে কোলাকুলি করলেন।

নাভিদ জানালেন, বাংলাদেশ আর পাকিস্তানের ঈদ উদযাপনে নিরানব্বই ভাগ মিল আছে। তিনি বুঝতেই পারছেন না পাকিস্তানে আছেন না বাংলাদেশে আছেন। দুই তিন মিনিটের সব কথা ইংলিশে বললেন। শেষে এসে আবেগের আতিশয্যে উর্দু/হিন্দি শুরু করে দিলেন হোতা হ্যায় মোতা হ্যায় বলে। ইন্ডিপেন্ডেন্টের প্রগতিশীল শাহবাগি সাংবাদিকের দাত কেলিয়ে গেল। বিনয়ে কাচুমাচু করতে করতে সেও নাভিদের সাথে কোলাকুলি করলো খবরের শেষে।

বাংলাদেশে শাহবাগিরা জাতিগত একটা ফ্যাসিষ্ট মানসিকতা তৈরী করেছে দীর্ঘদিন ধরে। এই বয়কট করো সেই বয়কট করো। পাকি ক্রিকেট দলের অমুক খেলোয়ারের দাদা বাংলাদেশ দলের তমুক খেলোয়ারের দাদীকে একাত্তরে ধর্ষন করেছিলো, সুতরাং পাকি দলকে সাপোর্ট করলে তুমি দেশদ্রোহী!! চ্যাতনার মহুয়া খায়া মুক্তিযুদ্ধের নেশায় যেন পুরা জাতি মাতাল।

আর তাদের সবার খুঁটি, উর্দুলীগের নেত্রীর উপদেষ্টার টিভিতে পাকি নাভিদ এসে উর্দুতে শুভেচ্ছা জানায়, এখন সমস্যা নাই। যুদ্ধাপরাধী বিচার নামের নাটক সাকসেসফুল করতে পাকিস্তানী আইএসআই এর সাথে বসে পরিকল্পনা করে, দোষ কি!!

খবরটা দেখতে দেখতে মনে পড়ছিলো মুজিব আর ভুট্টোর একসাথে সেই বিখ্যাত ছবিটার কথা।
কৃষ্ণ করলে লীলাখেলা, আমি করলে দোষ!