হেফাজতের গণহত্যা ও শুভ্র গ্রেফতার প্রসঙ্গে জয়ের বিবৃতি

বোকা মানুষদের চুপ করে থাকা ভালো, জীবন থেকে স্বশিক্ষিত গ্রামীণ এক মহিলাও তা জানতেন। তাই শ্বাশুড় বাড়িতে যাওয়ার সময় সদ্য বিবাহিত পুত্রকে উপদেশ দিয়েছিলেন, বাবা চুপ করে থাকবি আর মুচকি মুচকি হাসবি! মাতৃআজ্ঞা পালন করে পুত্র অনেক কষ্ট করে সারা দিন চুপ করেই ছিলো, আর সবাই মনে করছিলো বাহ জামাই তো খুবই জ্ঞানী আর স্বল্পবাক। কিন্তু সহ্যের একটা সীমা আছে। রাতের বেলা খাবার টেবিলে সবাই বিয়ে প্রসঙ্গে বিভিন্ন কথা বলছিলো। তার পক্ষে আর চেপে রাখা সম্ভব হলো না, মুচকি হাসতে হাসতেই সে শুশুরকে জিজ্ঞাসা করে বসলো, আব্বা আপনি কি বিয়ে করেছেন? Continue reading

Advertisements

ভাদ্র আক্রান্ত অদিতি ফাল্গুনীর প্যারোডি

দয়া করে অশালীন কথা বন্ধ করুন, হ্যাডম থাকলে কাজ করুন: অদিতি ভাদ্রী

একাত্তর টিভিতে রবীন্দ্র উপাসিকা আপুর বক্তব্য আমি দেখিনি। আপুকে আমি তো চিনি। তিনি যদি খারাপও হন তবে কদ্দুর খারাপ হতে পারেন, সে আন্দাজ আমার ভালোই আছে। তার কি এখন খারাপ হওয়ার আর বয়স আছে? আপনারা অদ্ভুত বোকা, আমাকে রেখে তাকে নিয়ে মাতামাতি করছেন।

এটা তো সত্যি যে বাংলাদেশে চারিদিকে এখন হিজাব আর হিজাব। Continue reading

এবার অদিতি ফাল্গুনী

আমি চরম হতাশ। আমার পক্ষে আর সম্ভব না মিতা হককে নিয়ে কিছু বলা। কয়জনের কথার প্রতিবাদ করা যায়?? এবার “এই তোমরা সবাই মিতা আপাকে সব এটেনশন দিয়ে দিচ্ছো, তাহলে ম্যায় হু না কি করতে” বলে চিৎকার করতে করতে মাঠে নেমে গেছেন আরেক সাহিত্য-বাঈজী অদিতি ফাল্গুনী।

অদিতি ফাল্গুনী যা বলেছেন, তার হাইলাইট হলোঃ

“মিতা আপা তো ভুল কিছু বলেননাই।
নিরানব্বই ভাগ মহিলা ‘হিজাবি’। Continue reading

এটেনশান সিকিং ** মিতা হকের আক্ষেপ

মামুনুর রশিদ, তারিক আনাম এবং মিতা হক। একাত্তর টিভিতে “সংস্কৃতিজনের রাজনীতি ভাবনা”।

মিতা হকের মনে হচ্ছে, “বাংলাদেশীদের একটা আইডেন্টিটি ক্রাইসিস আছে। তিনি মনে করেন, পরিস্কার একটা জায়গা স্থির করা দরকার। একটা কমন পরিচয় থাকবে। কেউ দাড়ি টুপি লাগিয়ে নেই তাই। কেউ সিঁদুরে টিপ পরে নেই। (নিজে একটা টিপ পরা অবশ্য)। আইডেন্টিটি ক্রাইসিসটার এখন খুবই বাজে একটা অবস্থা।” মিতা হক সু্ন্দরভাবে বলছেন। তারেক আনাম ও মামুনুর রশীদ বুঝদার বিদগ্ধ একমত ছাগলের মতো মাথা নাড়াচ্ছেন। Continue reading

অধিকার সম্পাদক আদিলুর রহমান গ্রেফতার প্রসঙ্গে

নচিকেতার একটা গান আছে “আমি অন্ধের দেশে চশমা বিক্রি করি”। আদিলুর রহমান শুভ্রকে দেখলে আমার সে গানের কথা মনে পড়ে। বাংলাদেশের মতো দেশে, যে দেশে পশুরা রাজত্ব করে, যে দেশের মানুষ শক্তের ভক্ত নরমের যম প্রকৃতির, যে দেশে ডাবল ষ্ট্যান্ডার্ডগিরি করাটা হয় যে কোন উন্নয়নের সূচক, এমন দেশে মানবাধিকার নিয়ে কথা বলা বা কাজ করা নিরেট বোকামী। অনেক বেশি আত্ব-প্রেষণা ও সাহস না থাকলে সম্ভব না। এমন সাহসের দাম দিতে হয়েছে মাহমুদুর রহমানকে। আর এখন ঐ সাহস আর বোকামীর দাম চুকাতে হচ্ছে আদিলুর রহমান খানকে।

সরকারের গুপ্ত পুলিশ বাহিনী ডিবি তাকে বাসার সামনে থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের পদলেহনকারী আওয়ামী আদালত তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ড দিয়েছে আজ। Continue reading